![]() |
| রিফাত বিন সাজ্জাদ (২৩) |
![]() |
| রিফাত বিন সাজ্জাদ (২৩) |
পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। এবার তাঁরই ছেলে সাদাত মান্নানের প্রায় ২১৩ কোটি টাকার সম্পদ শনাক্ত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)। দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এনবিআর সূত্রে গেছে, বনানীর সাতটি অ্যাপার্টমেন্টসহ কৃষি ও অকৃষি সম্পত্তি মিলিয়ে বাংলাদেশে সাদাতের সম্পদের মূল্য আট কোটি টাকার ওপরে। এ ছাড়া রয়েছে ১৩২ কোটি টাকার বৈদেশিক সম্পদ। দায় বাদ দেওয়ার পর তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১৪০ কোটি টাকা।
সিআইসি এখন শুধু সাদাত মান্নানই নন, তাঁর বাবা এম এ মান্নান, মা জোলেখা মান্নান এবং বোন সারা মান্নানের বিষয়েও কর ফাঁকি এবং সম্পদের তথ্যের তদন্ত শুরু করেছে। এই তদন্তের অংশ হিসেবে মান্নান পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিআইসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, সোমবার এম এ মান্নান ও তাঁর পরিবারের ব্যাংক হিসাব জব্দ করার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। সাদাত মান্নানের ১৩২ কোটি টাকার বৈদেশিক সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি সম্পদের উৎস প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। যদি তিনি এটি প্রদান করতে না পারেন, তাহলে পুরো সম্পদ আয় হিসেবে গণ্য হবে এবং কর প্রযোজ্য হবে।
মন্ত্রী হওয়ার পর এম এ মান্নানের পারিবারিক প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, তাঁর স্ত্রী জোলেখা মান্নান ঢাকার একটি মহিলা কলেজের শিক্ষিকা। মেয়ে সারা একজন ডাক্তার, স্বামীর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তাঁর ছেলে সাদাত যুক্তরাজ্যের বার্কলেস ক্যাপিটালের (ব্যাংক) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ করেন এবং লন্ডনে থাকেন।
সাদাত মান্নানের কর ফাইল সিআইসিতে স্থানান্তর করার আগে কর অঞ্চল-১৫ প্রথম তদন্ত করে। কর অঞ্চল-১৫ এর কমিশনার লুত্ফুল আজিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা সাদাত মান্নানের ১০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের তথ্য পেয়েছি।’
যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাদাত মান্নানকে পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর বাবা এম এ মান্নান নিজের বা তাঁর সন্তানদের কোনো অবৈধ সম্পদের কথা অস্বীকার করেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার কোনো অবৈধ সম্পদ নেই। আমার জানা মতে, আমার সন্তানদেরও নেই।’ তবে ঢাকার একটি ভবনে তাঁর ছেলের সাতটি অ্যাপার্টমেন্টের বিষয়ে নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘বিল্ডিংটি গত শতাব্দীর শেষের দিকে সাদাত মান্নানের মামা তৈরি করেছিলেন। তাঁরা আর দেশে থাকে না। আমার ছেলে তাঁর কাছ থেকে সাতটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছে।’
ছেলের অর্থপাচারের মাধ্যমে বিদেশে সম্পদ অর্জনের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে যদি এনবিআরের কাছে কোনো প্রমাণ থাকে, তাহলে তারা আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। এখানে কোনো সমস্যা নেই।’
তবে এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা সন্দেহ করছি এই সম্পদ বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচারের ফল হতে পারে। অন্যদিকে বনানীর মতো একটি এলাকায় এত কম দামে সাতটি অ্যাপার্টমেন্টের মালিক হওয়া অবাস্তব।’
সূত্র: কালেরকণ্ঠ.কম
নিজস্ব প্রতিবেদক : সুনামগঞ্জ দিরাইয়ে চামটি খালের ওপরের কাঠের সেতুটি ভেঙে পড়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬-১১-২০২৩) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দিরাই পৌর শহরের নিকটবর্তী চান্দপুর স্লুইসগেট সংলগ্ন এই সেতুটি ভেঙে পড়ায় উপজেলা সদরের সঙ্গে করিমপুর ও জগদল ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
অবশেষে এমসি কলেজের ছাত্রী স্মৃতি রানী দাসের আত্মহত্যার নেপথ্যের রহস্য বেরিয়ে এলো। ঘটনার দুই মাস ১২ দিনের মাথায় স্মৃতি রানী দাসের মৃত্যুর জন্য দায়ী শ্যামল দাস (২১) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (০৪ আগস্ট) দুপুরে সিলেট নগরীর জালালাবাদ আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিকেলে জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে নেয় শাহপরাণ (র.) থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত শ্যামল দাস হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার সুধাংশু দাসের ছেলে।
এ ঘটনায় নিজেকে জড়িয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন শ্যামল দাস। সিলেট মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আাদালতের বিচারক সাইফুর রহমান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
শ্যামল দাসের জবানবন্দির বরাত দিয়ে আদালত সূত্র ও পুলিশ জানায়, স্মৃতিরানী দাসের ম্যাসেঞ্জার হ্যাক করে আপত্তিকর ছবি দিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে মানসিক চাপে ফেলে। তার কাছ থেকে টাকা আদায় করতেন শ্যামল দাস। তবে এই ঘটনায় মেয়েটি আত্মহত্যা করবে তা ভাবতে পারেনি সে। স্মৃতির ছবি পাঠিয়ে সে বিভিন্ন সময় ম্যাসেঞ্জারে চ্যাটিং (বার্তা) পাঠাতো। সর্বশেষ তার কাছ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা বিকাশে পাঠিয়েছিলেন স্মৃতি। বিকাশের নাম্বারের সূত্র ধরেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
শাহপরাণ (র.) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুল হক বলেন, এই ঘটনায় স্মৃতির বাবাকে বাদি করে আমরা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা নিয়েছি। ওই মামলায় শ্যামল দাসকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে তোলা হলে নিজেকে জড়িয়ে সম্পূর্ণ ঘটনার বর্ণনা দেয়। জবা্নবন্দি রেকর্ড শেষে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, শ্যামল দাস ম্যাসেঞ্জার হ্যাক করে স্মুতি দাসের ব্যক্তিগত ছবি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয়। তাকে মানসিক চাপে ফেলে টাকা আদায় করতো। আত্মসম্মানের ভয়ে মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে এমনটি ধারণা করছেন তিনি।এছাড়া স্মৃতির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটির লক খুলতে পারলে আরো তথ্য জানা যাবে। সেটি সিআইডির মাধ্যমে এক্সপার্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আপাতত ৫ দিনের ক্ষুদে বার্তা আদান প্রদানের তথ্য তদন্তকারী কর্মকর্তার সংগ্রহে রয়েছে।
২৫ মে দুপুরে এমসি কলেজ ছাত্রী হোস্টেলের চার তলার ৪০৩ নং কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে স্মৃতি রানীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি হোস্টেলের ৩য় তলার ৩০৭ নং কক্ষে থাকতেন। ঘটনার পর আত্মহত্যা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়। নিহত স্মৃতি রানী কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রামের যুগল কিশোর দাসের মেয়ে। তিনি এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে পুলিশ ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে কোনো এক সময়ে আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
রাতে দুর্গাপুর থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) মীর মাহাবুবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ এবং বিছানায় পড়ে থাকা চিরকুটটি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
এদিকে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার শমিপুর গ্রামের মৃত কৃষ্ণধন তালুকদারের ছেলে রনদীর তালুকদার। তিনি দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের কুমুদগঞ্জ শাখায় একটি এনজিওর মাঠকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ওই ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার বাসায় ভাড়া থাকতেন। প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে বাসায় আসেন রনদীর। এরপর সন্ধ্যার দিকে পাশের বাসার একজন তার ঘরে এসে দেখতে পান রনদীর মরদেহ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। এ সময় তিনি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
২নং জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান সাজ্জাদ মাহমুদ তালুকদার, উপজেলা আ’লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জামিল আহমেদ জুয়েল, ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতি আব্দুল মুকিত চৌধুরীর ছেলে ফয়সল চৌধুরী, আব্দুল হক চৌধুরী, মো. জালাল মিয়া, মো. জসীম উদ্দিন তালুকদার।
৩নং ফেনারবাঁক ইউনিয়নে সাধন তালুকদার, জীতেন্দ্র তালুকদার পিন্টু, জেলা কৃষক লীগের সদস্য সচিব বিন্দু তালুকদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন বাবলু, রফিকুল ইসলাম রানা, মো. সাইদুর রহমান, জুলফিকার চৌধুরী রানা, সুইট চৌধুরী, শাহাব উদ্দিন তালুকদার রিয়াজ, সাবেক ইউপি সদস্য নূরু মিয়া, ডা. হারুনূর রশিদ, সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, ইউপি সদস্য আসাদ আলী, সুবোধ চন্দ্র তালুকদার।
৪নং সাচনা বাজার ইউনিয়নে মো. মাসুক মিয়া, সায়েম পাঠান, মকবুল আফিন্দী, মো. বদিউজ্জামান বদি, রেজওয়ান আহমদ আলম, কাসেম আখঞ্জী, ইয়াকবীর হোসেন।
৫নং ভীমখালী ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুলাল মিয়া, উপজেলা আ’লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মো. আব্দুল খালেক, ভীমখালী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মো. আক্তারুজ্জামান শাহ, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মন্নান তালুকদার, আক্তারুজ্জামান তালুকদার, অ্যাড. শাহীনুর রহমান, মো. আবু তাহের তালুকদার, মো. আমিরুল হক।
৬নং জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান মো. রজব আলী, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এম নবী হোসেন, প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক আলী তালুকদার, ইউপি সদস্য মো. হানিফ মিয়া, মো. শহীদুল ইসলাম ও আলী আক্কাছ মুরাদের নাম নির্বাচনী আলোচনায় উঠে আসছে। এ নিয়ে প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের মধ্যে বাড়তি প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন অফিসের দায়িত্বশীলরা জানান, উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নে সর্বমোট ভোটার ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৪ জন। এর মধ্যে বেহেলী ইউনিয়নে মোট ১৩ হাজার ৯২৯ জন, জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নে ২০ হাজার ১৩২ জন, ফেনারবাঁক ইউনিয়নে ২৫ হাজার ৪২২ জন, সাচনা বাজার ইউনিয়নে ১৭ হাজার ৯৬৮ জন, ভীমখালী ইউনিয়নে ২৩ হাজার ২২১ জন, জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নে ১৬ হাজার ৩৮২ জন ভোটার রয়েছেন। তবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গ্রামাঞ্চলে প্রচারণা শুরু হলেও নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে এখনও কোন নির্দেশনা আসেনি বলে জানিয়েছে নির্বাচন অফিস।
নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সাচনা বাজার ইউনিয়নের হরিহরপুর গ্রামের মো. উস্তার গনী বলেন, ‘নির্বাচনের হাঁকডাক মোটামুটি শুরু হইয়া গেছে। নির্বাচনে যে যোগ্য তারেই তো আমরা ভোট দিমু। এইতা নির্বাচনও দলীয় প্রতীক না থাকাটাই ভালা। তাহইলে ভোটটা জমব।’
দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনাগ্রহের কথা জানিয়ে বেহেলী ইউনিয়নের রহিমাপুর গ্রামের অঞ্জন রায় বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের প্রতি প্রার্থীদের যে যোগ-জিজ্ঞাসা সেটা ইতিবাচক। তবে সাধারণ মানুষের সেই প্রয়োজনীয়তা যেন শুধু নির্বাচনকেন্দ্রিকই না হয়। এখন প্রার্থীরা যেভাবে জনসাধারণকে আপন ভেবে বুকে টেনে নিচ্ছেন পরবর্তীতে সেটা অব্যাহত থাকলে তা হবে সত্যিকারের জনপ্রতিনিধিত্বশীল যোগ্যতা প্রদর্শন। আর দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটারদের ভোট দেওয়ার উৎসাহ কমে যাবে।’
ভীমখালী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আক্তারুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘আমি গত নির্বাচনে অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলাম। এ বছরও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। আমি করোনাকালীন দুর্যোগ, হাওর সমস্যাসহ এলাকার সামাজিক কর্মকা-ে সর্বদাই মানুষের পাশে আছি। আশা রাখি ভোটাররা আমাকে মূল্যায়ন করবে।’
জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল আহমদ জুয়েল বলেন, ‘আমি গত নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ছিলাম। অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছি এবং দলের আভ্যন্তরীণ কোন্দল আমাকে পরাজয় বরণ করতে বাধ্য করেছে। গেল নির্বাচনে আমার প্রাপ্ত ফলাফল বিবেচনায় দল আমাকে মূল্যায়ন করবে, এমনটা প্রত্যাশা করছি।’
বেহেলী ইউপি চেয়ারম্যান অসীম তালুকদার বলেন, ‘নির্বাচন আরও প্রায় ৬ মাস বাকি। আর আমি চেয়ারম্যান যেহেতু নির্বাচনে তো আসবই। তবে অন্য প্রার্থীরা যেভাবে প্রচারণা শুরু করেছে আমি জনপ্রতিনিধিত্বশীল কর্মকা-ে ব্যস্ত থাকায় মাঠে যেতে পারছি না। আশা রাখছি বিগত দিনের কর্মকা- বিবেচনায় সাধারণ মানুষ আমাকে পুনর্বার নির্বাচিত করবে।’
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, আমাদের কমিশন থেকে এখন যে নির্দেশনা আছে সেটা পৌর নির্বাচনে প্রস্তুতির চিঠি এসেছে। ইউপি নির্বাচনের ব্যাপারে কোন নির্দেশনা নেই। তবে আগামী মার্চ থেকে ইউপি নির্বাচন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত, চিঠি কিংবা নির্দেশনা আমাদেরকে দেওয়া হয়নি।
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মঈনপুর গ্রামে ২০ টাকা পাওনার জেরে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। শনিবার রাতে সুরমা ইউনিয়নের মইনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আছির উদ্দিন (২৫)। সে মঈনপুর গ্রামের মো. ফজিল হকের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে নিহত যুবক আছির উদ্দিন (২৫) দাড়িঁয়ে ছিল। তখন একই গ্রামের মুদি দোকানদার মো. ইকবাল হোসেনের ছেলে মো. হৃদয় হোসেন পাওনা ২০টাকা চাইলে নিহত আফির উদ্দিন বলছিল এখন টাকা হাতে নেই একটু পরে দিবে। এনিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় দোকানদারের ছেলে হৃদয় হোসেন ও তার বন্ধু মো. হাসান মিলে আছির উদ্দিনের হামলা করে। এসময় আছির উদ্দিনকে ছুরিকাঘাত করে তারা। আছির উদ্দিন সাথে সাথে মাটিতে পড়ে যায়। তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা তাকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি শহীদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পাওনা ২০ টাকার জন্য মঈনপুর গ্রামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাটানো হয়েছে। ঘটনার সাথে যারা জড়িতকে আইনের আওতায় আনা হবে।
রিফাত বিন সাজ্জাদ (২৩) অটোরিকশা চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হন রিফাত বিন সাজ্জাদ (২৩) নামের এক যুবক। পরে তার মোবাইল ফোনে পাওয়া ভিডিওর...