![]() |
| রিফাত বিন সাজ্জাদ (২৩) |
![]() |
| রিফাত বিন সাজ্জাদ (২৩) |
পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। এবার তাঁরই ছেলে সাদাত মান্নানের প্রায় ২১৩ কোটি টাকার সম্পদ শনাক্ত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)। দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এনবিআর সূত্রে গেছে, বনানীর সাতটি অ্যাপার্টমেন্টসহ কৃষি ও অকৃষি সম্পত্তি মিলিয়ে বাংলাদেশে সাদাতের সম্পদের মূল্য আট কোটি টাকার ওপরে। এ ছাড়া রয়েছে ১৩২ কোটি টাকার বৈদেশিক সম্পদ। দায় বাদ দেওয়ার পর তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১৪০ কোটি টাকা।
সিআইসি এখন শুধু সাদাত মান্নানই নন, তাঁর বাবা এম এ মান্নান, মা জোলেখা মান্নান এবং বোন সারা মান্নানের বিষয়েও কর ফাঁকি এবং সম্পদের তথ্যের তদন্ত শুরু করেছে। এই তদন্তের অংশ হিসেবে মান্নান পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিআইসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, সোমবার এম এ মান্নান ও তাঁর পরিবারের ব্যাংক হিসাব জব্দ করার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। সাদাত মান্নানের ১৩২ কোটি টাকার বৈদেশিক সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি সম্পদের উৎস প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। যদি তিনি এটি প্রদান করতে না পারেন, তাহলে পুরো সম্পদ আয় হিসেবে গণ্য হবে এবং কর প্রযোজ্য হবে।
মন্ত্রী হওয়ার পর এম এ মান্নানের পারিবারিক প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, তাঁর স্ত্রী জোলেখা মান্নান ঢাকার একটি মহিলা কলেজের শিক্ষিকা। মেয়ে সারা একজন ডাক্তার, স্বামীর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তাঁর ছেলে সাদাত যুক্তরাজ্যের বার্কলেস ক্যাপিটালের (ব্যাংক) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ করেন এবং লন্ডনে থাকেন।
সাদাত মান্নানের কর ফাইল সিআইসিতে স্থানান্তর করার আগে কর অঞ্চল-১৫ প্রথম তদন্ত করে। কর অঞ্চল-১৫ এর কমিশনার লুত্ফুল আজিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা সাদাত মান্নানের ১০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের তথ্য পেয়েছি।’
যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাদাত মান্নানকে পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর বাবা এম এ মান্নান নিজের বা তাঁর সন্তানদের কোনো অবৈধ সম্পদের কথা অস্বীকার করেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার কোনো অবৈধ সম্পদ নেই। আমার জানা মতে, আমার সন্তানদেরও নেই।’ তবে ঢাকার একটি ভবনে তাঁর ছেলের সাতটি অ্যাপার্টমেন্টের বিষয়ে নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘বিল্ডিংটি গত শতাব্দীর শেষের দিকে সাদাত মান্নানের মামা তৈরি করেছিলেন। তাঁরা আর দেশে থাকে না। আমার ছেলে তাঁর কাছ থেকে সাতটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছে।’
ছেলের অর্থপাচারের মাধ্যমে বিদেশে সম্পদ অর্জনের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে যদি এনবিআরের কাছে কোনো প্রমাণ থাকে, তাহলে তারা আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। এখানে কোনো সমস্যা নেই।’
তবে এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা সন্দেহ করছি এই সম্পদ বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচারের ফল হতে পারে। অন্যদিকে বনানীর মতো একটি এলাকায় এত কম দামে সাতটি অ্যাপার্টমেন্টের মালিক হওয়া অবাস্তব।’
সূত্র: কালেরকণ্ঠ.কম
নিজস্ব প্রতিবেদক : সুনামগঞ্জ দিরাইয়ে চামটি খালের ওপরের কাঠের সেতুটি ভেঙে পড়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬-১১-২০২৩) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দিরাই পৌর শহরের নিকটবর্তী চান্দপুর স্লুইসগেট সংলগ্ন এই সেতুটি ভেঙে পড়ায় উপজেলা সদরের সঙ্গে করিমপুর ও জগদল ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে পুলিশ ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে কোনো এক সময়ে আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
রাতে দুর্গাপুর থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) মীর মাহাবুবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ এবং বিছানায় পড়ে থাকা চিরকুটটি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
এদিকে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার শমিপুর গ্রামের মৃত কৃষ্ণধন তালুকদারের ছেলে রনদীর তালুকদার। তিনি দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের কুমুদগঞ্জ শাখায় একটি এনজিওর মাঠকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ওই ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার বাসায় ভাড়া থাকতেন। প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে বাসায় আসেন রনদীর। এরপর সন্ধ্যার দিকে পাশের বাসার একজন তার ঘরে এসে দেখতে পান রনদীর মরদেহ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। এ সময় তিনি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মঈনপুর গ্রামে ২০ টাকা পাওনার জেরে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। শনিবার রাতে সুরমা ইউনিয়নের মইনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আছির উদ্দিন (২৫)। সে মঈনপুর গ্রামের মো. ফজিল হকের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে নিহত যুবক আছির উদ্দিন (২৫) দাড়িঁয়ে ছিল। তখন একই গ্রামের মুদি দোকানদার মো. ইকবাল হোসেনের ছেলে মো. হৃদয় হোসেন পাওনা ২০টাকা চাইলে নিহত আফির উদ্দিন বলছিল এখন টাকা হাতে নেই একটু পরে দিবে। এনিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় দোকানদারের ছেলে হৃদয় হোসেন ও তার বন্ধু মো. হাসান মিলে আছির উদ্দিনের হামলা করে। এসময় আছির উদ্দিনকে ছুরিকাঘাত করে তারা। আছির উদ্দিন সাথে সাথে মাটিতে পড়ে যায়। তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা তাকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি শহীদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পাওনা ২০ টাকার জন্য মঈনপুর গ্রামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাটানো হয়েছে। ঘটনার সাথে যারা জড়িতকে আইনের আওতায় আনা হবে।
এতে ঘটনাস্থলে ছুরত আলী (৬৫) মারা যান। মটর সাইকেলের চালক রুপাবালী গ্রামের বোরহান উদ্দিন (৪৫) গুরত্বর আহত হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
এব্যাপারে ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, এখন পর্যন্ত নিহতের কেউ যোগাযোগ করেনি। যোগাযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা স্বামীকে জনতা আটক করে পুলিশে ধরিয়ে দেয়। আটক স্বামীর নাম জামাল উদ্দিন (২২)। তিনি সদর উপজেলার গৌরাঙ্গ ইউনিয়নের ইচ্চারচর গ্রামের আব্দুস ছোবানের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, এ বছরে মার্চ মাসে জামালগঞ্জ উপজেলার ভিমখালী ইউনিয়নের মামুদপুর গ্রামের প্রবাসী গোলাম জিলানীর মেয়ে সামিরা বেগমকে বিয়ে করেন জালাল উদ্দিন।
মেয়ের বাবা প্রবাসী হওয়ায় যৌতুকের জন্য প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন জালাল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়।
প্রায় মাস খানেক আগে নির্যাতন সইতে না পেরে বাবার বাড়ি চলে যান সামিয়া বেগম।
শুক্রবার স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়ি যান জালাল। স্ত্রীর স্বজনরা জালালের বাবা ও মা ছাড়া তাদের মেয়েকে স্বামীর হাতে তুলে দেবেন না বলে জানালে ক্ষুব্ধ হন জালাল। রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে তিনি ঘুমন্ত স্ত্রীর ওপর ধারালো দা নিয়ে চড়াও হন।
স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে।
স্ত্রীর মাথা, পেটে ও হাতে ধারালো দায়ের কোপ রয়েছে।
গভীর রাতে সামিয়ার ছটফটানি শুনে বাড়ির লোকজন দেখেন তাদের মেয়েকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন জালাল। তারা পেছন দিক থেকে ধাওয়া করলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় হাওরে মাছ ধরায় নিয়োজিত জেলেরা জালাল উদ্দিনকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জালাল উদ্দিনকে থানায় নিয়ে গেছে।
জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মৃত গৌরাঙ্গ দাসের সাথে আরেক মৃত রিকু দাসের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১৯ অক্টোবর দিরাই থানাধীন ভাটিপাড়া ইউনিয়নের দত্তগ্রামের হীরালাল দাসের ছেলে গনেন দাসের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন রিকু রানী দাস। গত ২৩ অক্টোবর রিকু রানী স্বামী গনেন দাসকে নিয়ে বাবার বাড়িতে ফিরাযাত্রায় আসেন। ইচ্ছের বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে রিকু রানী ও গৌরাঙ্গ দাস দু’জনেই এক সাথে বিষ পান করে। পরবর্তীতে গুরুতর অবস্থায় তাদের দু’জনকে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পথিমধ্যে রিকু রানী দাসের মৃত্যু হয়। তার কিছু সময় পর সুনামগঞ্জ হাসপাতাল যাওয়ার পূর্বে প্রেমিক গৌরাঙ্গ দাসের মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে রিকু রানী দাসের পিতা অরবিন্দু দাস জামালগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করেছেন। অপরজনের মৃত্যুর বিষয়টিতে সুনামগঞ্জ সদর থানায় আরেকটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল আলম বলেন, একপক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হবে।
কামাল হোসেন, সুনামগঞ্জ : হুমকির মুখে তাহিরপুরের লাল শাপলার বিকি বিল: গরু মহিষের খাদ্য হিসেবে স্থানীয় কৃষকরা এখন ব্যবহার করছে বিকি বিলের শাপলার ডাটা।
গত কয়েক মাস যাবৎ স্থানীয় কৃষকরা অবাধে গোখাদয়ার যোগান হিসেবে বিকি বিলের লাল শাপলা ডাটা কেটে ব্যবহার করার কারণে এখন বিনষ্টের মুখে অপরূ সৌন্দর্যের গালিচার খ্যাত তাহিরপুরের নতুন পর্যটন স্পষ্ট লাল শাপলার বিকি বিল।
গতকাল শনিবার দুপুর সরেজমিনে সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের খাসতাল গ্রামের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত বিকির বিলে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে বিলের সৌন্দর্য বিনষ্টের কথা জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, বিলে গত বছর যে পরিমাণ শাপলা ফুটতো, এ বছর তার আর দেখা মিলছে না। গরু আর মহিষের খাবারের জন্য অবাধে শাপলার ডাটা তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত এই সম্ভাবনাময় লাল শাপলার এ বিলটিকে রক্ষায় প্রশাসনকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণেরও জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ।
জানাযায়, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ গত বছরের ১২ অক্টোবর সকালে পরিদর্শনে এসে পযর্টন স্পষ্ট হিসাবে তাহিরপুর উপজেলাধীন বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ টাঙ্গুয়ার হাওর, নয়নাভীরাম নিলাদ্রী ডিসি পার্ক, শহীদ সিরাজ লেক, বারেকের টিলা, যাদুকাটা নদী, শিমুল বাগান, প্রত্নতাত্তিক নিদর্শন হলহলিয়া জমিদার বাড়ির পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিকভাবে একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে লাল শাপলার বিকি বিলটি উদ্বোধন পর্যটন হিসাবে নতুন মাত্রাযোগ করেন।
এরপর বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকগন বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে লাল শাপলার বিকি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন। সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশ পর থেকেই দেশ বিদেশের পর্যটকদের নজরে আসে লাল শাপলার বিকি বিল।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার কাশতাল এলাকায় অবস্থিত লাল শাপলার বিকিবিলটি হলহলিয়ার চক ও দিঘলবাঁক মৌজার প্রায় ১৪.৯৫ একর জায়গা নিয়ে গঠিত। এর উত্তরে নয়নাভিরাম ভারতের মেঘালয় পাহাড়।
জানাযায়,গত এক যুগ ধরে এ বিকি বিলে সামান্য ফুল ফুটতো, কিন্তু ৪/৫ বছর ধরে পুরো হাওরে লাল শাপলা ফুটে প্রকৃতির এক অপরুপ সৌন্দর্য ধারণ করে। দেখলে মনে হয় কে যেন আপনাকে স্বাগত জানানোর জন্য লাল গালিচায় মোড়ায়ে রেখেছে। যতদুর চোখ যায় শুধু লাল আর লাল।
কিন্তু এ বছর বিকি বিলের এমন সৌন্দর্য নেই বললেই চলে। সাম্প্রতিক গত কয়েক দফা বন্যায় একদিকে বিলের সৌন্দযের্র উপড় প্রভাব পড়ে। অন্যদিকে ভয়ে যাওয়া কয়েক দফা বন্যায় এ অঞ্চলের কৃষকদের গোখাদ্য সংকটের কারণে বর্তমনে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামের লোকজন অবাধে শাপলার ডাটা উপড়ে গরু মহিষের খাদ্যের জন্য বাড়ি নিয়ে গোখাদ্য হিসাবে ব্যবহার করছে। বর্তমানে যা কিছ সৌন্দর্য অবশিষ্ট রয়েছে তাও এখন বিনষ্টের পথে ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিকি বিল থেকে স্থানীয়রা লাল শাপলার ডাটা কেটে নৌকা বোঝাই করে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছে , জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক এ প্রতিবেদককে জানান, এ অঞ্চলের কৃষকেরা তাদের গরু, মহিষকে খড়ের পরিবর্তে বিলের এ শাপলার ডাটা কেটে নিয়ে খাওয়াচ্ছেন।
আমবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা বাংলাদেশ কৃষকলীগ বড়দল উত্তর ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন দুলাল বলেন, গত বছর যেখানে প্রতিদিন ওই শতশত পর্যটক লাল শাপলার বিকি বিল দেখতে আসতো কিন্তু এবছর এই বিল কেউ আর দেখতে আসবেনা। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন,
অবাধে লোকজন শাপলার ডাটা কেটে নৌকা ভরে নিয়ে যাচ্ছে । বাধা দিলেও কেউ শুনছে না। বিলের যে সৌন্দর্য ছিল সে পরিবেশটা এখন আর নেই বললেই চলে।
এ বিষয়ে বড়দল উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. মাসুক মিয়া একই অভিযোগ , তিনিও জানান স্থানীয় এলাকাবাসী এই নয়নাভিরাম আপরূ সৌন্দর্যের লীলাভূমি দৃষ্টিনন্দন লাল শাপলার বিকি বিল থেকে শাপলার ডাটা উপড়ে যে যার মতো করে নিয়ে গরু মহিষকে খাওয়ানো ফেলে এর সৌন্দর্য প্রায় ধ্বংসের পথে। থানীয় লোকজনের সাথে লাল শাপলার বিকি বিলের সৌন্দর্য উদ্ধারে তিনিও দ্রুত প্রশাসনের সুদৃষ্টি কাম করছেন।
এ নিয়ে বড়দল উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম জানান, কয়েক দফা বন্যায় বিলের সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়েছে আর যা কিছু অবশিষ্ট রয়েছে তা বর্তমানে কৌশল করেই বিলের অাশপাশের গ্রামের মানুষ বিলের এ শাপলার ডাটা কেটে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যে যার মতো বাড়ি নিয়ে গিয়ে গরু মহিষের খাওয়াচ্ছে ।
এর সৌন্দর্য রক্ষা করে দেশ বিদেশে এ বিলকে দৃষ্টিনন্দন পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তোলার জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয় যেন কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ দৈনিক জবাবদিহিকে জানান, গরু মহিষের খাবারের যোগান হিসেবে বিকি বিলের লাল শাপলার ডাটা উপড়ে গোখাদ্য হিসাবে ব্যবহার করে এর সৌন্দর্য বিনষ্ট করা হচ্ছে তা আমি জানতে পেরেছি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এই পর্যটন স্পষ্ট লাল শাপলার বিকি বিলের সৌন্দর্য রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উত্তেজিত হয়ে এ সময় ইউএনও সাংবাদিককে বলেন, আপনি কোন পত্রিকায় কাজ করেন? পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন ইউএনও কে ভাই ডাকছেন কেন? পরবর্তীতে ক্ষেপে গিয়ে শফি উল্লা আবারও বলেন, ইউএনও কে ভাই ডাকা যাবে না। আপনি জানেন না একজন ইউএনওকে স্যার বলতে হয়?
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পরিবেশ ও হাওর ধ্বংসকারী প্লাস্টিকের ছাই তৈরি করা হয়- শীর্ষক বিষয়ে পেশাগত কাজে সিলেট থেকে প্রকাশিত দৈনিক সিলেট মিররের প্রতিবেদক ও দিরাই উপজেলার স্থানীয় অনলাইন সংবাদ মাধ্যম জাগো ভাটির নির্বাহী সম্পাদক আশরাফ আহমদ বুধবার বিকেলে মুঠোফোনে ইউএনও’র বক্তব্য জানার জন্য ফোন করেন। মুঠোফোনে আলাপের শেষে ইউএনওকে ভাই বলে সম্বোধন করায় উত্তেজিত হন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে বাক-বিতণ্ডা হয়।
এক পর্যায়ে ওই সংবাদকর্মী সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদকে ভাই বলে সম্বোধন করার বিষয়টি অবহিত করলে ইউএনও শফি উল্লাহ বলেন, ডিসি সাহেব কে ডাকছেন- ডাকেন। কিন্তু আমাকে ভাই ডাকা যাবে না।
এ ব্যাপারে জৈন্তা বার্তা থেকে ইউএনও শফি উল্লা’র সাথে রাতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেন নি।
উল্লেখ্য; চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ দুদক কার্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘আমরা চাই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা সেবাগ্রহীতা নাগরিকদের ‘স্যার’ সম্বোধন করবেন, নাগরিকরা না।’
নির্বাক আর কিংকর্তব্য বিমূঢ় অবস্থায় কাটছে দিনগুলো। প্রশ্ন জাগে এটাই কি আমার দেশ ? এটাই কি আমার জন্মভূমি ? প্রতিদিনই ফেইসবুক ওয়ালে পোষ্ট দিতে চাই কিন্তু পারি না। ফেইসবুক এর পোষ্ট অপশন জিজ্ঞেস করে 'হোয়াটস ইন ইওর মাইন্ড ' -তাকে বলি আমার মাইন্ডে তো অনেক কিছুই আছে কিন্তু তুমার বক্সে লিখতে পারিনা , লিখলে অনেকেই মাইন্ড করবে। সব কি আর লিখা যায় ? না যায় না , কিছু ধূসর রয়ে গেছে সমাজে যাদের জন্য কলমও অনেক সময় থমকে যায়। লিখতে গিয়েও লিখিনা। সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রচন্ড ভাবে দংশন করে প্রতিনিয়ত। বাধ্য করে দেয় কলম ধরতে। একের পর এক গণধর্ষনের মত ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। নারীর প্রতি কেন এই সহিংসতা ? ধর্ষনের রঙ্গ মঞ্চ আজকের বাংলাদেশ। ধর্ষনের হিড়িক যা ইতি পূর্বে কখনোই দেখা যাই না শুধু ১৯৭১ সাল ব্যাতীত। ১৯৭১ সালে ধর্ষন করেছে পাকিস্তানি সেনারা আর সাথে ছিল গাদ্দার কিছু পিচাশ অমানুষ যাদেরকে আমরা রাজাকার বলি। রাজাকের বিচারও এদেশে হয়েছে দলীয়করনের মধ্যেদিয়ে। যাই হউক সেদিকে গিয়ে লাভ নেই। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ) সম্মীক্ষা মতে শুধু চলতি বছরের ধর্ষনের হিসাব দেখেই মস্তিস্ক হ্যাং হয়ে যায়। চলতি বছরে গত আট মাসে সারা দেশে ৮৯২ টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ১৯২ টি ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ৪১ জন ধর্ষণের পরে আহত অবস্থায় মারা গেছেন, ৯ জন ধর্ষণের পরে আত্মহত্যা করে মারা গেছেন বলে জানা গেছে। ধর্ষন ছাড়াও নারী নির্যাতনের হিসাব অগনিত। স্কুল ছাত্রী , গৃহবধূ এমনকি ৭৫ বছরে বৃদ্ধাও এর বাহিরে নয়। ধর্ষনের আইনগত বিচার সঠিক সময়ে না হওয়ার কারনেই ঘটনার পরিসংখ্যান দিনদিন বাড়ছে। দেশের আইন অনুযায়ী ধর্ষন মামলার বিচার ১৮০ দিনের মধ্যে হতে হবে কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। ধর্ষনের বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য নারীবাদী নেত্রীদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। বর্তমানে ঘটেযাওয়া ধর্ষনের প্রতিবাদে সারা দেশের স্কুল-কলেজ - বিশ্বাবিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী সহ সাধারণ মানুষ আজ রাস্তায় নেমেছে। কিন্তু নারীবাদী নেত্রীরা চুপ করে লুকিয়ে আছেন। কিন্তু কেন ? কার ভয়ে বা কার সমর্থনে তাঁরা নিশ্চুপ এটা আজ দেশের মানুষের কাছে প্রধান প্রশ্ন। তাহলে আজ যারা বেপরোয়া ধর্ষক তাদের সাপোর্ট করতে কি তাঁরা আজ নীরব ? সবগুলো ধর্ষনের নায়ক আজকের ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা। পেছনে রয়েছে আওয়ামী গড ফাদাররা। সাতক্ষীরা থেকে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীকে রক্ত জোগাড় করে দেওয়ার কথা বলে তার স্ত্রীকে ধর্ষণ, মেসের রুমের টাইলস পরিষ্কার করার কথা বলে কেরানীগঞ্জে নারীকে ধর্ষণ, খাগড়াছড়িতে ডাকাতি করতে ঘরে ঢুকে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণ, খাগড়াছড়িতে চাকমা সম্প্রদায়ের এক নারীকে ধর্ষন , সিলেটের এমসি কলেজে গণধর্ষন , নোয়াখালীর আলোচিত ধর্ষণ সহ সবগুলো ধর্ষনেই ছাত্রলীগ কর্মীরা অভিযুক্ত। সরকারের মদদেই আজ বেপরোয়া ছাত্রলীগ-যুবলীগ। লাগামহীন দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে কারি কারী টাকা আয় করে বেসামাল তাঁরা। ক্ষমতা আর টাকার গরমে দিশেহারা। তাঁরা না মানে প্রশাসন না মানছে পারিবারিক আদর্শ। বেশিরভাগই পিতামাতার অনুগত নয়। ছাত্রলীগ কর্মীরা অনুগত আওয়ামীলীগ নেতাদের অনুগত। নেতারা তাদের স্বার্থে ব্যবহার করছে ছাত্রলীগ যুবলীগ কর্মীদের। আর এসব নেতাদের আশ্রয় -পশ্রয় দিচ্ছে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের মন্ত্রী এমপিরা। সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির চিত্র আজ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। শিক্ষা, চিকিৎসা ,স্বাস্থ্য ,অর্থনীতি সবক্ষেত্রে হরিলুট যার তালিকা কাগজ কলমে ধরে না। প্রশাসনিক লেভেলেও দুর্নীতি- অনিয়ম চরম পর্যায়ে। মানুষের জান মালের নিরাপত্তা আমরা হারিয়েছি অনেক আগেই কিন্তু শেষ পর্যায়ে হারালাম মা-বোনদের ইজ্জতের নিরাপত্তা। যে রাষ্ট্র নারীর ইজ্জত রক্ষায় আহাজারি করছে সে রাষ্ট্রের অধিকর্তারা রাষ্ট্রের জন্য কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন ? মন্ত্রী।,এমপি, আমলাদের বউ-বোনদের তো কোনো নিরাপত্তার অজুহাত নেই কারন তাঁদের লালিত ছেলেরাই তো ধর্ষণে সেঞ্চুরি করছে তাই মন্ত্রী এমপিদের বউ-বোনদের নিরাপত্তা ১০০% . কিন্তু যে সাধারণ জনগণের ভোটে এমপি মন্ত্রী হলেন , যে সাধারণ নাগরিকদের টাকায় দেশ চলে ,আমলারা চলে তাঁদের জীবন ও ইজ্জতের কোনো নিৰাপত্তা নাই কেন ? বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করা হচ্চে চরম ভাবে তাই বিচার বিভাগ অসহায় তা না হলে ১৮০ দিনে যে বিছার কার্য সম্পাদন হওয়ার কথা সেটা সম্পন্ন হতে বছরের পর বছর লাগবে কেন ? বিচারহীনতার কারণে বেড়েই চলছে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। ''নো অ্যাকশন নো রিঅ্যাকশন '' প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হচ্ছে। আজকে সরকার যদি সঠিক থাকতো ধর্ষণতো দূরের কথা মেয়েদের চোখের দিকেও তাকাতে পারতো না ছাত্রলীগ। বিচারকার্যে রাজনৈতিক প্রভাব, নৈতিকতা ও সামাজিক অবক্ষয়ও এর জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী । রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা কমিয়ে , এবং বিদেশী অর্থায়নে চলা এনজিও কর্মীদের জোরালো ও সোচ্ছার ভূমিকা পালন করতে হবে এসব অপরাধ ঠেকানোর জন্য ,প্রত্যেক মানবাধিকার কর্মীকে সরকারের বন্ধনা -ভজনা ত্যাগ করতে হবে। তবে সামাজিক দায়বদ্ধতা না এড়িয়ে প্রতিটি পরিবারের অভিভাবকদেরও দৃষ্টি দিতে হবে নিজের ছেলে সন্তানের প্রতি। পারিবারিকভাবে নাগরিক সতর্কতা একান্ত প্রয়োজন। ধর্ষণ যে কোনো সময় বা যে কোনো স্থানেই হউক না কেন তার মূল্য সমান , নির্দিষ্ট কোনো স্থানের , জেলার , শহরের ধর্ষণকে ভিন্ন গুরুত্ব দেবার প্রয়োজন নেই। নারীর সম্মান সবখানে -সবারই সমান। নোয়াখালী ও সিলেটের ধর্ষণে বিচার কঠোর হস্তে হবে বলে আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছেন -এরকম আবাল মার্কা কথা একদম ঠিক না -নোয়খালী আর সিলেটের ধর্ষণ কোনো আলাদা বিষয় নয় , অন্নান্য ধর্ষণ একই বিষয় , অপরাধ সমান। সব ধর্ষণের অপরাধীদের দ্রুত বিচার করুন। বিচার বিভাগকে স্বাধীন করে দিন ,আর ছাত্রলীগ -যুবলীগকে সামাল দিন তাহলেই দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে। আর না হয় আপনাদের সোনার ছেলেদের দ্বারা হঠাৎ দেখবেন আপনাদের মেয়ে -বোন-বউ ধর্ষিত হয়ে গেছে। আজ আন্তর্জাতিক গণ মাধ্যমে উঠে আসছে লোমহর্ষক গণধর্ষণের ঘটনা যা বাঙালি জাতির জন্য লজ্জা। ধর্ষণের প্রতিবাদে আজ সমস্ত জাতি ফুঁসে উঠেছে , মানুষের পিঠ আজ দেয়ালে আটকে গেছে , বাঙালি জাতি আবারো দেখাবে অন্যায়ের প্রতিবাদের ফসল কিভাবে আন্তে হয়। অন্যায়ের প্রতিবাদের ফসল আমাদের মাতৃভাষা , অন্যায়ের প্রতিবাদের ফসল আমাদের স্বাধীনতা। যে যেখানে আছে কালো অন্যায়ের প্রতিবাদ করে ছিনিয়ে আনতে হবে আরেকটি ফসল -বাঁচাতে হবে আমার বোনের ইজ্জত, আনতে আমার মা বোনদের ইজ্জতের নিরাপত্তা পতাকা . তাই কালো পতাকা মিছিল হবে -ঘরে ঘরে উঠুক কালো পতাকা , আজ বিজয়ের পতাকার সাথে থাকবে কালোপতাকা উড্ডীয়ম্যান। ধর্ষকদের দ্রুত বিচার না হওয়া পর্যন্ত সাধারন ছাত্র- জনতা চালাবে কালো পতাকা মিছিল।
লেখক : আরিফ মাহফুজ , সাংবাদিক-কলামিষ্ট , যুক্তরাজ্য থেকে।