Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts

Monday, 21 September 2020

প্রার্থী বনাম প্রতীক : আরিফ মাহফুজ | Sunamganj Live| সুনামগঞ্জ লাইভ

প্রার্থী বনাম প্রতীক : আরিফ মাহফুজ | Sunamganj Live| সুনামগঞ্জ লাইভ


রাজনীতির শেষ বলতে কোন কথা নেই ।  রাজনীতির মেরুকরণ কখন ঘুরে কোথায়  যায় বুঝা যায় না।এ বছর বৈরি আবহাওয়া ও কোভিড-১৯ করোনা মহামারী সংক্রমণ পরিস্থিতিতেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিভিন্ন সংসদীয় ও উপজেলা পরিষদের শুন্য আসনে উপ নির্বাচন। দেশে রাজনৈতিক পরিবেশও রয়েছে মারাত্মক বৈরী পরিবেশের মধ্যে। সরকারের দমনপীড়ন এর মধ্যে চলছে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকান্ড। অবরুদ্ধ দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি র রাজনৈতিক কর্মকান্ড। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচন নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা সঙ্গে নিয়েই উপনির্বাচন এর শুন্য পদ গুলোতে প্রার্থী দিচ্ছে বিএনপি।  লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা। রাজনৈতিক হিসাব নিকাশের বাহিরেও দলীয় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করারও মূল উদ্দেশ্য  ।   অত্যন্ত সুচারু ভাবে পর্যবেক্ষণ করে দলীয় মনোনয়ন দিচ্ছে বিএনপি। যোগ্যতার ম্যাপ এবং মাপকাঠিতে মানদন্ড যাচাই করেই প্রতিটি প্রার্থীকে সিলেকশন করেছে দলের হাই কমান্ড। ঘাড়ে চাপিয়ে বা লবিংয়ের মাধ্যমে কোনো আসনের পার্থীকে প্রতীক দেয়া হয়নি। জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের শুন্য আসনে উপনির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনীত প্রাথী হিসেবে জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের  বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুলহক আফিন্দীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। দলীয়ভাবে ধানের শীষ প্রতীক এর প্রার্থীকে  জানাই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। উপজেলার সাধারন নাগরিক হিসেবে এবং ব্যাক্তিগত পছন্দ থেকে জানাই লাল গোলাপ শুভেচ্ছা। ব্যাক্তি পছন্দ ও দলীয় পছন্দ দুটি আলাদা বিষয়। রাজনীতির মারপ্যাঁচে দলীয় পছন্দের মধ্যে ব্যাক্তিগত পছন্দ -অপছন্দ বিষয়টি নিয়ে একটি ঘোলাটে পরিস্থিতি কাজ করে সবখানে সব দলেই।  যার জন্য দলীয় নির্বাচনে এর প্রভাব বিস্তার হয়ে দলের ক্ষতি হয়। কোনো ব্যাক্তির সাথে কোনো  ব্যাক্তির আন্তরিকতার অভাব থাকতেই পারে -আবার আন্তরিকতায় ভরপুর থাকতে পারে কিন্তু নির্বাচন প্রাক্কালে এই দুইটি বিষয়কে দূরে রেখে দলীয় প্রেমটাকে প্রকটভাবে জাগিয়ে তোলা প্রয়োজন।  ভুলে যেতে হবে সব পছন্দ-অপছন্দ , মনোমালিণ্য।
সরেজমিনে এবং উপজেলার তৃণমূল বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদে  দেখা গেছে নুরল হক আফিন্দীর জনপ্রিয়তা। তিনবারের  ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি তাঁর দক্ষতা প্রমান করতে সক্ষম হয়েছেন।প্রার্থী আপনার এবং প্রতীকও আপনার। দলীয় প্রেমে জাগ্রত হয়ে আগামী ২০শে অক্টোবর  আসন্ন জামালগনগঞ্জ উপজেলা উপনির্বাচনে নরুল হক আফিন্দী-কে ধানের  শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে জাতীয়তাবাদী ঝান্ডা হাতে  -শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই ওমর বাণীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সমস্বরে বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ তুলুন -ব্যাক্তির চেয়ে দল বড় , দলের চেয়ে দেশ বড়। প্রার্থী থেকে প্রতীক ,দুটোই আমার দুটোই আমার অহংকার -কারন আমি জিয়ার সৈনিক।
লেখক : আরিফ মাহফুজ ,সাংবাদিক-কলামিস্ট।
            সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য যুক্তরাজ্য বিএনপি।
           সাবেক যুগ্ন-সম্পাদক,যুক্তরাজ্য জাসাস।

Saturday, 19 September 2020

শেষ ভালো যার, সব ভালো তার: সাজিদুর রহমান সাজিদ |Sunamganj Live|সুনামগঞ্জ লাইভ

শেষ ভালো যার, সব ভালো তার: সাজিদুর রহমান সাজিদ |Sunamganj Live|সুনামগঞ্জ লাইভ


শেষ ভালো যার, সব ভালো তার
সাজিদুর রহমান সাজিদ
..........
শেষ পর্যন্ত এ চরম মা'জুর অবস্থায়ও দেখা গেল শায়খুল ইসলাম আহমদ শফি রাহ. ঠিক। শায়খুল ইসলাম সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানি রাহ.র বাংলাদেশি খলিফাদের মধ্যে নানা কারণে তিনি সর্বাধিক পরিচিত ও আলোচিত। একই সঙ্গে ছিলেন সর্বজন মান্য ও সর্বজন শ্রদ্ধেয়। কী সুন্দর সব দেনা-পাওনা মিটিয়ে, সব ঝগড়া ও সমালোচনার পথ বন্ধ করে চলে গেলেন। কতিপয় পল্টিবাজ রাজনীতিকের বলয়ে ছিলেন। এরা তারে ঘিরে রাখতো সবসময়। এরা ছাড়া অন্য কাউকে যিনি নির্মোহ বাস্তবতা তুলে ধরতে পারেন- তার ধারও ঘেঁষতে দেওয়া হতো না। তাই অনেকেই তার সমালোচনা করেছে। সেই অনেকের মধ্যে বড় একটা অংশ ছিল মসলকে দেওবন্দবিরোধী। তারা দেওবন্দি সেজে বড় নোংরা সমালোচনায় ছিল লিপ্ত। সমালোচকদের ছোট একটা অংশ ছিল দেওবন্দি। তারা অপপ্রচারে ধোঁকা খেয়ে অনেক কিছু না বুঝে সমালোচনা করেছে। তবে সমালোচক দেওবন্দিদের মধ্যে বেশিরভাগ ছিল ইয়াং জেনারেশন।
জান্নাতি মানুষ হয়ে থাকেন সরলসোজা। সবাইকে বিশ্বাস করেন। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। দুনিয়ার সঙ্গে তেমন সম্পর্ক নেই। রোগযন্ত্রণা এবং খাতেমা বিল খায়র এর চিন্তায়ই ডুবে থাকতেন সারাক্ষণ। বাইরের জগৎ নিয়ে ভাববার সময়ও ছিল না, শক্তিও ছিল না। এমন অবস্থায় ইন্নি নাসিহুন আমীন হয়ে তাকে পরামর্শ দেওয়া হত, তিনি মানতেন। নিজে ভালো, সবাইকে ভালো মনে করতেন। এই ইন্নি নাসিহুন আমীনরা তাকে কষ্ট দিয়েছে, সমালোচনার পাত্র বানিয়েছে। কেউ কেউ তো তিনি শায়খুল ইসলাম মাদানি রাহ. এর খলিফা কিনা- প্রশ্ন তুলেছে। গোনাহ ওলায়েতর মুনাফি নয়; যেমন খেলাফে আওলা নবুওয়তের মুনাফি নয়। কিন্তু যারা এতসব বেআদবি করল, বদনাম করল, জঘন্য সমালোচনা করল এই ওলীর বিরুদ্ধে- তারা ইতিহাসের আস্তাঁকুড়েই ঠাঁই পাবে। মানুষ তাদের কথা ঘৃণার সাথে স্মরণ করবে। কিন্তু আহমদ শফি রাহ. ইতিহাসের পুরোভাগে উপস্থিত থাকবেন স্বর্ণোজ্জ্বল কান্তি নিয়ে। তাকে মানুষ স্মরণ করবে বিনম্র শ্রদ্ধায়, দোয়ায় ও অকৃত্তিম ভালোবাসায়। তার উত্থান যেমন আলোচিত, তার প্রস্থানও তেমনি প্রশংসিত। শেষ ভালো যার, সব ভালো তার।

Monday, 14 September 2020

করোনায় মারা গেলেন অভিনেতা সাদেক বাচ্চু |Sunamganj Live |সুনামগঞ্জ লাইভ

করোনায় মারা গেলেন অভিনেতা সাদেক বাচ্চু |Sunamganj Live |সুনামগঞ্জ লাইভ


ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা সাদেক বাচ্চু মারা গেছেন। রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১২টা ০৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সাদেক বাচ্চুর মৃত্যুর বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান। মৃত্যুকালে সাদেক বাচ্চুর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।
গত ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শ্বাসকষ্ট শুরু হলে রাত ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সাদেক বাচ্চুকে। হাসপাতালে ভর্তির পর করোনা পরীক্ষা করালে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) তার করোনা পজিটিভ আসে। তার অবস্থার অবনতি হলে সেদিনই তাকে মহাখালীর ইউনিভার্সাল হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এ গুণী অভিনেতা।

ডাকবিভাগের সাবেক কর্মকর্তা সাদেক হোসেন বাচ্চু ১৯৮৫ সাল চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন। ‘রামের সুমতি’র মাধ্যমে যাত্রা শুরুর পর বহু জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি।
৫০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিনয় ক্যারিয়ার তার। শুরুতে মঞ্চ নাটকে অভিনয় করতেন। মতিঝিল থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। এ দলের সভাপতিও ছিলেন। বেতারে একটা সময়ে অসংখ্য নাটক করেছেন। বেতারের খেলাঘর তার আলোচিত একটি নাটক।
টেলিভিশন নাটকে প্রথম অভিনয় করেন ১৯৭৪ সালে। নাটকটির নাম ছিল- প্রথম অঙ্গীকার। প্রথম সিনেমায় অভিনয় করেন আশির দশকে। সিনেমাটির নাম- রামের সুমতি। পরিচালনা করেন শহিদুল আমিন।
বহুমাত্রিক এ অভিনেতার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে- জোর করে ভালোবাসা হয় না (২০১৩), জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার (২০১৩), জীবন নদীর তীরে (২০১৩), তোমার মাঝে আমি (২০১৩), ঢাকা টু বোম্বে (২০১৩), ভালোবাসা জিন্দাবাদ (২০১৩), এক জবান (২০১০), আমার স্বপ্ন আমার সংসার (২০১০), মন বসে না পড়ার টেবিলে (২০০৯), বধূবরণ (২০০৮), ময়দান (২০০৭), আমার প্রাণের স্বামী (২০০৭), আনন্দ অশ্রু (১৯৯৭), প্রিয়জন (১৯৯৬), সুজন সখি (১৯৯৪)। 
১৯৫৫ সালের ১ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন গুণী এ অভিনেতা। অভিনয় ছাড়াও দীর্ঘ দিন তিনি বাংলাদেশ ডাক বিভাগে চাকরি করেছেন। ‘একটি সিনেমার গল্প’ সিনেমায় অভিনয় করে খল অভিনেতা হিসেবে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

Tuesday, 8 September 2020

কনস্টেবলের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ৷ মামলা করায় বাদীনিকে মামলা প্রত্যাহারের হুমকি !

কনস্টেবলের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ৷ মামলা করায় বাদীনিকে মামলা প্রত্যাহারের হুমকি !


রক্ষক যখন ভক্ষক হয়! আশ্রয় পায়নি নিরাশ্রয়!
তখন এ বিষয়টি শুনলেই যেন কেমন হয়…? আর বিষয়টি যদি ঘটে অর্ধাঙ্গিনী অর্থাৎ জীবন সঙ্গী স্ত্রীর সাথে, সেটা খুবই দুঃখময়! এমন একটি ঘটনা ঘটেছে একজন পুলিশ কনস্টেবল সদস্যের পরিবারে৷ তিনি কাজী লালন বয়স (২৪), (কং নং /২৪৫৯
বর্তমানে এস.এম.পি সিলেটে কর্মরত আছেন, তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার জামাল গঞ্জ থানার সংবাদ পুর গ্রামে, তার পিতার নাম কাজী কুতুব উদ্দীন৷
কাজী লালনের সাথে বিগত ২ ফেব্রুয়ারিতে ২০২০ ইং তারিখে বিবাহ হয় হবিগঞ্জের আনিসুজ্জামানের কন্যা পান্না আক্তারের,তিনি
বর্তমান র্মীরের ময়দান থানা কোতোয়ালী জেলা সিলেটে বসবাস করেন৷
পান্না আক্তার নামের অসহায় মেয়েটির পূর্বে আরেকটি বিবাহ হয়েছিল,তার একটি শিশু সন্তান ও রয়েছে পূর্বের স্বামীর ঔরসজাত৷
,বিয়ের কিছু দিন যেতে না যেতেই পান্না আক্তারের উপর নেমে আসে নানা নির্যাতন৷ এক পর্যায়ে পান্না আক্তার গর্ভবতী হয়ে পড়লে তার গর্ভ নষ্ট করার জন্য স্বামী কাজী লালন তাকে চাপ সৃষ্টি করেন,স্বামীর কথা সে রাখতে অসম্মতি জানালে সুকৌশলে পান্নাকে কোমল জাতীয় পানির মধ্যে গর্ভ নস্ট করার ঔষধ মিশিয়ে সেবন করিয়ে তার গর্ভ নষ্ট করেন লালন এবং তাকে নানান নির্যাতন করেন তিনি৷ তার পর শুরু হয নতুন নির্যাতনের ষ্টিম রোলার কনস্টেবল কাজী লালন তার ঘরবাড়ীর অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার কথা বলে
স্ত্রীকে যৌতুক বাবত ৮লক্ষ টাকা তার পিত্রালয় থেকে এনে দেবার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন,এতে পান্না আক্তার তার পিতার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে পারবেন না বলে অসহায়ত্বের কথা জানান৷ এতে তার স্বামী ও ভাসুর তাকে শারিরীক ও মানষিক ভাবে চরম নির্যাতন করে আহত করেন৷ পরে তিনি সিলেট এম,এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন৷
এঘটনায় তিনি বাদী হয়ে সিলেট বিজ্ঞ নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন, মামলা নং ২১৭/২০২০)৷ বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে৷
উক্ত মামলা দায়েরের পর থেকে মামলাটি প্রত্যাহার করার জন্য পান্নাকে নানা ভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন তার স্বামী ও ভাসুর সহ তাদের লোকজন৷
এক পর্যায়ে গত ৪ আগষ্ট পান্না আক্তার তার ছোট বোন সামছুন্নাহার স্বর্ণাকে সাথে নিয়ে দুপুর অনুমান ১২টার দিকে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানাধীন বন্দর বাজারস্থ হাছান মার্কেটের বিপরীতে সিএনজি স্ট্যান্ডে গাড়ী হইতে নামা মাত্র তার ভাসুর কাজী গোলাম চিশতিয়া(৩০),একটি মোটর সাইকেল যোগে অজ্ঞাত আররকজন সহযোগী নিয়ে তাদের পথরোধ করে তার দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের হুমকি ধামকি তাকে ও তার পূর্বের শিশু সন্তানকে অপহরণ করে গুম করার হুমকি দেয় আসামীরা৷যদি মামলা প্রত্যাহার না করেন তবে মামলার বাদীনি পান্না ও তার বোনের এমন অবস্থা আসামীরা করিবে বলে হুমকি দিয়ে যায়, তারা বাধ্য হয়ে আত্মহত্যা করবে৷
এঘটনায় পান্না আক্তার পূণরায় বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় তার ভাসুর ও অজ্ঞাত আরেক সহযোগীর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী করেন,জিডি নং ১৫০ তারিখ ০৪/০৮/২০২০৷ উল্লেখিত তথ্য সমূহ আদালতে মামলা ও থানায় দায়েরকৃত জিডিতে উল্লেখ করেন পান্না,
পান্না আক্তার আরো বলেন তার স্বামী পুলিশের লোক হওয়ায় তাকে বিভিন্ন মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে হুমকি সহ নানা নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছেন৷ তিনি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Wednesday, 26 August 2020

আমি মুখ খুললে সে মুখ দেখাতে পারবে না: পপি

আমি মুখ খুললে সে মুখ দেখাতে পারবে না: পপি


চিত্রনায়িকা পপি বর্তমানে গ্রামের বাড়ি খুলনায় অবস্থান করছেন। আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনায়। এদিকে চলচ্চিত্রের প্রাণকেন্দ্র এফডিসি উত্তাল রয়েছে মিশা-জায়েদ বয়কট নিয়ে। নিজের শারীরিক অবস্থা ও এফডিসির উত্তাল পরিস্থিতি নিয়ে খুলনা থেকে  কথা বলেছেন পপি
এখন শরীরিক অবস্থা কেমন আল্লাহর রহমতে বেশ ভালো। গত সপ্তাহে করোনা টেস্টে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। তবুও বাসা থেকে বের হচ্ছি না। করোনা সেরে গেলেও আতঙ্ক কাটছে না।
করোনা থেকে সেরে উঠেছেন। ঢাকায় ফিরছেন কবে? ঢাকায় শিগগির ফেরা হচ্ছে না। কারণ, ঢাকার অবস্থা এখনও খুব একটা ভালো নয়। মানুষ ঘর থেকে বের হলেও করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা তো কমছে না। আমার আত্মীয়-স্বজন যারা ঢাকায় আছেন, তাদের অনেকের আক্রান্তের খবর পাচ্ছি। এ পরিস্থিতিতে কীভাবে ঢাকায় ফিরি?
এফডিসিতে যা হচ্ছে খবর রাখছেন তো? গ্রামে থাকলেও সব খবরই রাখছি। এফডিসি আমার আরেক পরিবার। পরিবারের খবর তো রাখতেই হবে। সেখানে একটা ক্রাইসিস চলছে। শিগগিরই এ ক্রাইসিস চলে যাবে। আমরা আবার সবাই একসঙ্গে কাজ করব। আমাদের শুটিংয়ে মুখর হয়ে উঠবে এফডিসি।
ক্রাইসিস বলতে আপনি কী বোঝালেন? এফডিসিতে কী হচ্ছে এটা তো গণমাধ্যমের বরাতে দেশের সবাই জানতে পারছেন। এখানে ক্রাইসিস কী নিয়ে এটাও সবার জানা। তবে আমি মনে করি, এখানে সবচেয়ে বড় ক্রাইসিস হচ্ছে সম্পর্কের। আগে কত সুন্দর দিন কাটাচ্ছিলাম আমরা। মান্না ভাই, ওমর সানী ভাই, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খান, মৌসুমী, শাবনূর, পূর্ণিমা, সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে লিড দিয়েছেন।
তখন আমাদের মধ্যে ভালো কাজের প্রতিযোগিতা থাকলেও কারও সঙ্গে কোনো রেষারেষি ছিল না। কেউ কারও পেছনে লাগেনি। কারও আড়ালে কারও বদনাম হতো না। সেই গোছানো সম্পর্কগুলো নষ্ট করে দিলো জায়েদ। সে শিল্পী সমিতির চেয়ারে বসার পরই শুরু হলো একে অপরে দ্বন্দ্ব। অযোগ্য লোককে চেয়ারে বসালে যা হয়। এর-ওর মধ্যে বিরুদ্ধে লাগিয়ে সবাইকে ব্যস্ত বানিয়ে নিজে চেয়ারের জায়গাটা শক্ত করে নিতে চাচ্ছিলো সে। কিন্তু অযোগ্য লোক বেশিদিন থাকতে পারে না। তার পতন হবেই।
একে অপরে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার কারণ শুধুই কি জায়েদ, আপনাদের কোনো ভুল নেই? এর আগে এক ইন্টারভিউতে কেন আমরা জায়েদকে চেয়ারে বসিয়েছি সেটা বলেছি। সেটা অনেকটা শাকিব খানের ওপর অভিমান করেই। এটাই আমাদের ভুল ছিল। এই ভুলের খেসরাত যে এভাবে দিতে হবে বুঝিনি। সমিতির নেতার চেয়ারে বসে সে যে ক্রাইমগুলো করেছে তা বর্ণনাতীত। সে ক্রাইমের অনেক কিছুই আপনারা জানেন না। সেগুলো বলার মতোও না। তাই বলি, আমি যদি জায়েদের বিষয়ে মুখ খুলি তাহলে সে মুখ দেখাতে পারবে না। শুধু বলবো, যার একটাও হিট ছবি নেই, অভিনেতা হিসেব দর্শকরা যাকে চিনেই না, সেই কিনা রিয়াজ, ফেরদৌস ভাইকে নিয়ে কটু কথা বলে। তাদের নিয়ে সমালোচনা করে। ওমর সানী ভাইকে সে মানসিক ডাক্তার দেখাতে বলে।
এখন ভুল শোধরাবেন কীভাবে? জায়েদ খানের পদত্যাগ নিয়ে সবাই সোচ্চার হয়েছেন। ভুল শুধরানোর এটাই একমাত্র উপায়। চলচ্চিত্রবিষয়ক ১৯ সংগঠন একত্র হয়ে জায়েদকে বয়কট করেছে। জায়েদের পদত্যাগটা আগে দরকার। শিল্পী সমিতির ক্ষমতা থেকে ওকে অপসারণ না করলে সে এমন কর্মকাণ্ড করেই যাবে। এফডিসি আরও নোংরা হবে। সাধারণ মানুষের কাছে তারকারা হাসির পাত্র হবে। তাই আমাদের সবার করণীয় এখন জায়েদের আগে পদত্যাগ করানো। এরপর একসঙ্গে চলচ্চিত্রের উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়া….সূত্র-সমকাল

Sunday, 23 August 2020

দুনিয়া দেখার ইচ্ছে থাকলে এই সুযোগ! এবার দিল্লি থেকে লন্ডন যাওয়া যাবে বাসে

দুনিয়া দেখার ইচ্ছে থাকলে এই সুযোগ! এবার দিল্লি থেকে লন্ডন যাওয়া যাবে বাসে


নিজস্ব প্রতিবেদন- দিল্লি থেকে লন্ডন। তাও আবার বাসে। শুনেই চমকে উঠবেন হয়তো। এও কী সম্ভব! পকেটে টাকা আর মনে ইচ্ছে থাকলে সম্ভব। গুরগাঁওযের অ্যাডভেঞ্চার ওভারল্যান্ড নামের একটি ট্যুর অ্যান্ড ট্র্যাভেল সংস্থা এবার দিল্লি থেকে লন্ডন পর্যন্ত বাস সার্ভিস চালু করল। শুনে প্রথমে চমকে উঠেছিলেন অনেকেই। এতটা রাস্তা বাসে যাওয়া কী সম্ভব! কতদিন লাগবে যেতে! খরচই বা কত! কোন রুট ধরেই বা যাওয়া হবে! এমনই হাজারো প্রশ্ন হয়তো আপনারও মনে জাগছে। সব প্রশ্নের উত্তরই আছে। ১৫ অগাস্ট এই বাস সার্ভিস-এর ঘোষণা করেছে সংস্থাটি। এই সংস্থার দুই কর্ণধার তুষার ও সঞ্জয় মাদান এর আগে গত তিন বছর দিল্লি থেকে লন্ডন সড়কপথে গিয়েছিলেন। তাঁরাই এই রোমাঞ্চভরা পদক্ষেপ নিয়ে ফেলেছেন।
দিল্লি থেকে লন্ডনগামী বাস যাবে মোট ১৮টি দেশের উপর দিয়ে। ভারত, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, চিন, কিজিঘিস্তান, উজবেকিস্তান, কাজাকিস্তান, রাশিয়া, লাটবিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, ফ্রান্স ও ইউনাইটেড কিংডম। বুঝতেই পারছেন, ঘুরতে ভালবাসেন যারা তাদের কাছে এর থেকে ভাল সুযোগ আর আসবে না। ৭০ দিনের এই সফরে থাকবে সবরকম ব্যবস্থা। সংস্থাটি যাত্রীদের বিভিন্ন দেশে ফোর বা ফাইভ স্টার হোটালে থাকার ব্যবস্থা করে দেবে। এছাড়া এই সফরে যাওয়ার জন্য মোট দশটি দেশের ভিসা থাকা জরুরি। যাত্রীদের ভিসার ব্যবস্থাও করে দেবে সংস্থাটি।  
২০টি সিটের এই বাসে থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা। ২০ জন যাত্রী ছাড়াও থাকবেন চারজন। ড্রাইভার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ড্রাইভার, অ্যাটান্ডান্ট ও গাইড। একেক দেশে একেকজন গাইড থাকবেন। এছাড়া প্রতিটি সিট হবে বিজনেস ক্লাসের। এই বাস পরিষেবার নাম দেওয়া হয়েছে বাস টু লন্ডন। এবার আসা যাক খরচের ব্যাপারে। বাস টু লন্ডন পরিষেবায় চারটি ক্যাটেগরি থাকবে। কেউ যদি লন্ডন পর্যন্ত না যেতে চান তা হলেও সমস্যা নেই। তিনি কয়েকটি দেশ ঘুরে নিজস্ব উদ্যোগে ফিরে আসতে পারেন। সেক্ষেত্রে একরকম প্যাকেজ ধার্য করা হবে। তবে লন্ডন পর্যন্ত সফর করতে হলে একেকজনের খরচ হবে ১৫ লাখ টাকা। ইমিআই অপশন রয়েছে। যাত্রীরা চাইলে কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন। 

Saturday, 22 August 2020

পুরনো ডিজাইন বদলে নতুন রূপে আসছে সামাজিক যোগাযোগের প্লাটফর্ম ফেসবুক

পুরনো ডিজাইন বদলে নতুন রূপে আসছে সামাজিক যোগাযোগের প্লাটফর্ম ফেসবুক




ক্ল্যাসিক বা পুরনো সংস্করণকে বাদ দিয়ে ডেস্কটপের জন্য আসছে ফেসবুকের নতুন সংস্করণ। এখন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ থেকে লগ ইন করলে ফেসবুক আপডেট করে নেয়ার জন্য পপ-আপ নোটিফিকেশন পাচ্ছেন প্রায় সব ব্যবহারকারী। যেখানে সেপ্টেম্বরে ক্ল্যাসিক সংস্করণ বিদায়ের বার্তা দেয়া হচ্ছে। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে সব ব্যবহারকারী নতুন সংস্করণের ফেসবুক ব্যবহার করবেন।
পপ-আপ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ফেসবুকের নতুন সংস্করণ ব্যবহার করতে পারছেন ব্যবহারকারীরা। এই নতুন সংস্করণে টেক্সটগুলো আরও বড় ও পরিষ্কার দেখাচ্ছে। সেখানে লাইট মুডের পাশাপাশি ডার্ক মুডও ব্যবহারের সুযোগ থাকছে।
পপ-আপ নোটিফিকেশনে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, ব্যবহারকারীদের আরও উন্নত অভিজ্ঞতা দিতে ক্ল্যাসিক সংস্করণকে বিদায় জানাচ্ছে তারা। নতুন সংস্করণে ফেসবুক দ্রুত লোড হবে। এছাড়া থাকবে ডার্ক মুড ব্যবহারের সুযোগ, যার ফলে ব্যবহারকারীর চোখের ওপর চাপ কম পড়বে।


প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটগুলো বলছে, ফেসবুকের মোবাইল সংস্করণে এরই মধ্যে ডার্ক মুড চালু আছে। এখন থেকে ডেস্কটপ সংস্করণের ব্যবহারকারীরা চাইলেও নোটিফিকেশন আইকনের পাশে থাকা অপশন থেকে ডার্ক মুড চালু করতে পারবেন।
এছাড়া যারা এখনো ফেসবুকের নতুন সংস্করণ পছন্দ করছেন না, তারা অপশনে গিয়ে পুরনো সংস্করণ ব্যবহার করতে পারবেন। তবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকছে এ সুযোগ। কারণ সেপ্টেম্বর থেকে বিদায় নেবে ক্ল্যাসিক সংস্করণ। এরপর নতুন সংস্করণ ব্যবহার করতে হবে সবাইকে।
তবে ফেসবুক কীভাবে আরও উন্নত করা যায় সে সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের তরফ থেকে প্রতিক্রিয়া নেয়া হবে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Tuesday, 18 August 2020

জামালগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প : Sunamganj Live

জামালগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প : Sunamganj Live

 

মো. ওয়ালী উল্লাহ সরকার, জামালগঞ্জ ::
কালের পরিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে জামালগঞ্জ উপজেলার মৃৎশিল্প। বিভিন্ন সমস্যার কারণে আজ সঙ্কটের মুখে এই শিল্প। সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলায় প্রায় শত বছরের ঐতিহ্য বহন করা বেহেলী ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের মৎশিল্প আজ বিলুপ্তির পথে। ডিজিটাল যুগে পদার্পণ করায় মেলামাইন ও প্লাস্টিকের তৈরি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে মাটির তৈরি মৃৎশিল্পীদের সাংসারিক বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার্য বস্তু।

বিজ্ঞানের জয়যাত্রা, প্রযুক্তি ও উন্নয়নে নতুন নতুন শিল্প সামগ্রীর প্রসারের কারণে বাজার অনুকূলে না থাকায় এই শিল্প আজ হুমকির মুখে। একদিকে উন্নত প্রযুক্তি, মেলামাইন সামগ্রীর সাথে প্রতিযোগিতা, অন্যদিকে করোনার লগডাউনের কারণে বাংলা নববর্ষের মেলা, পণতীর্থ মেলা না হওয়ায় বিক্রি করতে পারেননি তাদের তৈরি খেলনা ও তৈজসপত্র। তাই প্রতিটি ঘরে ঘরে কার্টুন ভর্তি করে রেখে দেওয়া হয়েছে তাদের কষ্টার্জিত তৈরি আসবাবপত্র।

উপজেলার বদরপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, এই গ্রামের অধিকাংশ লোকই পাল সম্প্রদায়ের। একসময় এই গ্রামের কয়েকশ’ পরিবার মৃৎশিল্পের সাথে জড়িত ছিল। আধুনিকতার ছুঁয়া ও কালের পরিক্রমায় এখন মাত্র শতাধিক পরিবার তাদের পূর্ব পুরুষদের ঐতিহ্যবাহী পেশা অনেক কষ্টের মাঝেও ধরে রেখেছেন। বর্তমানে তাদের অবস্থা খুবই নাজুক।

বদরপুর গ্রামের মৃৎশিল্পী পুষ্প রাণী পাল, আরতি রানী পাল, সবিতা রানী পাল, অনামিকা পাল, অখিল চন্দ্র পাল, আশা রানী পাল, জিতেন্দ্র চন্দ্র পাল, সঞ্চিতা রানী পাল জানিয়েছেন, একসময় মাটির তৈরি হাড়িপাতিল, কলসি, রঙিন ফুলদানি, ফুলের টব, হাতি-ঘোড়া, নানা রঙের পুতুল ও বিভিন্ন সামগ্রী আমরা প্রতিটি বাড়িতে তৈরি করতাম। আর পুরুষরা বিভিন্ন হাটবাজার, মেলা ও বিভিন্ন পূজায় তা বিক্রি করতেন। তাতে আমরা অনেক লাভবান হতাম। তখন সংসারের চাহিদা মেটানো সম্ভব হতো। ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন দেখতাম। কিন্তু বর্তমানে প্লাস্টিক মেলামাইন ও অ্যালুমিনিয়ামের চাপে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের স্বপ্ন। তার ওপর মড়ার ওপর খারার ঘা হিসেবে করোনার লকডাউনে সবকিছু বন্ধ করে দেওয়ায় আমাদের আয় নেই বললেই চলে। নিদারুণ কষ্টে চলছে দিনকাল। এই পরিস্থিতিতে পাল সম্প্রদায় পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্যবাহী পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
এই গ্রামের মৃৎশিল্পী পুষ্প রানী পাল বলেন, এই পেশায় নেই কোনো সরকারি সহায়তা। ব্যাংক ঋণ বা অন্য কোনো সহযোগিতা। তাই বাধ্য হয়েই ঘুটিয়ে নিতে হচ্ছে আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যবা পেশা। গ্রামের অনেকে এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছেন।
মৃৎশিল্পী জিতেন্দ্র চন্দ্র পাল বলেন, বর্তমানে মাটির দাম, লাকড়ি, রঙ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়ায় তৈরিতে খরচ অনেকটা বেড়ে গেছে। আমরা এখন এই পেশা ধরে রাখতে পারব কি না সংশয়ে আছি।

তিনি আরও জানান, বিসিক ব্যাংক বা অন্যকোনো সংস্থা যদি স্বল্প সুদে ঋণ দিয়ে সহযোগিতায় এগিয়ে আসত তাহলে বাপদাদার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প ধরে রাখা সম্ভব। নতুবা আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে যাবে আমাদের এই পেশা।