Monday, 31 August 2020

বণিক সমিতির নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে অভিনন্দন

বণিক সমিতির নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে অভিনন্দন


জাতির শ্রেষ্ট সন্তান, জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান, সাচনা বাজার বণিক সমিতির আমৃত্যু সভাপতি সদ্য প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আল আজাদ’র প্রয়াণে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে গতকাল সাচনা বাজার দলীয় কার্যালয়ে বণিক সমিতির স্টেয়ারিং কমিটির এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় সমিতির সর্ব সম্মতিক্রমে বাবু চিত্ত রঞ্জন পাল কে সভাপতি ও বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক,উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা,সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন’র আস্থাভাজন আসাদ আল আজাদ কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।
নব নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জামালগঞ্জ উপজেলা শাখা।
এছাড়াও সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন কাজ সম্পন্ন করায় সমিতির সকল সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানায় উপজেলা ছাত্রলীগ।

Saturday, 29 August 2020

ঘুরে আসুন বাঁশতলা : Sunamganj Live

ঘুরে আসুন বাঁশতলা : Sunamganj Live

পাহাড়ের কোল থেকে নেমে আসা ঝর্ণার মন জুড়িয়ে যাওয়া রূপ নিয়ে আজকের লেখা। তিনদিকে মেঘালয় পাহাড়, আর তার সামনে টিলার ওপর চোখ জুড়ানো স্মৃতিসৌধ। একবার দেখলে বার বার দেখার ইচ্ছা হয়; মন চায় সারাক্ষণ সেখানেই বসে থাকি আর তার সৌন্দর্য উপভোগ করি। বলছিলাম সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার বাঁশতলা গ্রামের স্মৃতিসৌধ এর কথা। তিন দিকে মেঘালয় পর্বতমালা ঘিরে থাকা বাঁশতলা স্মৃতিসৌধ গড়ে উঠেছে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ১৪ জন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সমাধির পাশে। তার সাথে সেখানে দর্শনীয় স্থান হিসেবে আছে চেলাই খালের ওপর স্লুইসগেট আর টিলার ওপর জুমগাঁও।

ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ সীমান্তবর্তী অঞ্চল নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পাঁচ নম্বর সেক্টর। সে সেক্টরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। সেই পাঁচ নম্বর সেক্টরের সাবসেক্টর ছিল সুনামগঞ্জ জেলার বাঁশতলা। এখানকার সাবসেক্টর কমান্ডার ছিলেন ক্যাপ্টেন হেলাল উদ্দিন। পাহাড়বেষ্টিত বাঁশতলা এলাকায় এবং তার আশপাশে সংঘটিত যুদ্ধে যাঁরা শহীদ হন, তাঁদের সমাহিত করা হয় বাঁশতলার এই নির্জনে। তাঁদের বীরত্বের সেই স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার জন্যই বাঁশতলা স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়। এখানে পথের দু’পাশের সৌন্দর্য অসাধারণ; তার সঙ্গে আছে নানান জানা-অজানা পাখির ডাক। স্মৃতিসৌধে পৌঁছানোর আগেই মুগ্ধ হতে হয় এখানকার স্লুইসগেটে এসে। চেলাই খালের ওপর নির্মিত স্লুইসগেটটি দেখার পর পা যেন আর আগে বাড়তে চায় না। মন চাইবে সেখানটাতেই অনেকক্ষণ থেকে উপভোগ করতে সেই সৌন্দর্য। স্মৃতিসৌধের কাছাকাছি পৌঁছালে মনে হবে ঝকঝকে নীল আকাশে রক্তিম সূর্য উঠছে। আর যেন হাত বাড়ানো দূরত্বে আছে ঘনসবুজ পাহাড়।

স্মৃতিসৌধ দেখার পরে ফিরে আসার পথে যদি সেই মনজুড়ানো স্লুইসগেট। যা ১ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যয়ে ২০০৫ সালে এটি নির্মিত হয়। যদিও নদী শাসন প্রকৃতি বিরোধী তবুও বয়ে চলা পাহাড়ি ঝর্ণার মাঝে এ স্লুইসগেট আলাদা সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছে। এখানে ঠান্ডা ও শীতল স্বচ্ছ পানিতে সাঁতার কেঁটে চাইলে সহজেই শরীরের ক্লান্তি দূর করতে পারবেন। তার পরে চলে যেতে পারেন টিলার উপরের পাহাড়ি গ্রাম জুমগাও-এ। সেখানে প্রায় ৩৬ টি আদিবাসী পরিবারের বসবাস। তারা নিজেদের ব্যবহার্য যাবতীয় আসবাবপত্র নিজ হাতেই তৈরী করে থাকে; চেষ্টা করে স্বাবলম্বী থাকার। তাদের সেই টিলার উপরেই রয়েছে একটি মিশনারী স্কুল ও একটি উপাসনালয়। সবমিলিয়ে টিলার উপর সেই ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর বাড়িঘর আর সে পরিবেশ দেখার মতো আরেকটি জায়গা যা কিনা যেকোন মানুষের অন্তরে জায়গা করে নিতে পারে।

বাঁশতলা স্মৃতিসৌধে যাবার রাস্তা:
ঢাকা থেকে বাঁশতলায় যেতে হলে আপনাকে প্রথমে সুনামগঞ্জ আসতে হবে। সায়দাবাদ বা ফকিরাপুল বাসস্ট্যান্ড থেকে দিনরাত ঢাকা-সিলেট-সুনামগঞ্জ­ রুটের বাস চলাচল করে। সুবিধামতো সময়ে হানিফ, মামুন কিংবা শ্যামলী পরিবহনের বাসে চেপে বসলেই হবে। সে বাস আপনাকে সরাসরি নিয়ে আসবে সুনামগঞ্জ সদরে। সেখান থেকে বাঁশতলা স্মৃতিসৌধ যেতে হলে আপনি সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারা বাজার উপজেলা হয়েও বাঁশতলা যেতে পারেন, আবার ছাতক উপজেলা ঘুরেও বাঁশতলা যাবার রাস্তা রয়েছে। ছাতক বাজার থেকে সুরমা নদী পার হয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চেপে সরাসরি বাঁশতলায় যাওয়া যায়। তবে আমার মতে ভ্রমনপীপাসু লোকদের ছাতক ঘুরে যাওয়াটাই ভালো। এতে করে যাবার পথে দর্শনীয় ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরিও ঘুরে আসার মতন বোনাস পেয়ে যেতে পারেন।


Friday, 28 August 2020

তাহিরপুরে পর্যটন কেন্দ্রের লক্ষাধিক টাকার গাছ জব্দ : Sunamganj Live | সুনামগঞ্জ লাইভ

তাহিরপুরে পর্যটন কেন্দ্রের লক্ষাধিক টাকার গাছ জব্দ : Sunamganj Live | সুনামগঞ্জ লাইভ


সুনামগঞ্জের পর্যটন নগরী তাহিরপুর উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রের জন্য অধিগ্রহনকৃত সরকারি খাস খতিয়ান ভুক্ত জায়গা হতে কেটে নেয়া বিভিন্ন প্রজাতির লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছ টেকেরঘাটে এলাকা থেকে জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী টেকেরঘাট ও লাকমা এলাকায় থাকা একটি অবৈধ করাত কল হতে এসব গাছ জব্দ করা হয়।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ্মাসন সিংহ’র নির্দেশে সহকারি কমিশনার (ভুমি) সৈয়দ আমজাদ হোসেন এসব গাছ জব্দ করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, টেকেরঘাট এলাকায় থাকা সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গা হতে অর্জুন, কাঠাল, কদম সহ বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান কয়েকটি গাছ গোপনে কেঁটে রাতের আঁধারে সরিয়ে নিয়ে যায় একদল দুবৃক্ত।
বিষয়টি জানতে পেরে ইউএনওর নির্দেশে সহকারি কমিশনার (ভুমি) সরজমিনে গিয়ে ছোট বড় ২১ পিস গাছের টুকরো গাছ জব্দ করেন। এসময় টেকেরঘাটের সরকারি খাঁস খতিয়ানভুক্ত জায়গায় থাকা সাইফুলের বাড়ি, সুভাসের বাড়ি, অনিলের বাড়ি ও পার্শ্ববর্তী লাকমা সীমান্তে থাকা একটি অবৈধ করাত কল হতে এসব কেটে নেয়া গাছের টুকরো জব্দ করা হয়।
কিছুদিন আগে টেকেরঘাটে থাকা মৃত রফিকের ছেলে জাহাঙ্গীর সরকারি জায়গা হতে অর্ধলক্ষ টাকা মুল্যের জাম গাছ রাতের আধের কেটে নিয়ে বাড়ির আসবাবপত্র তৈরী করায় এবং গাছের ঢালপালা জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করে।
তাহিরপুর উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্ধ জানান, মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ জেলা ও উপজেলা প্রশাসন লক্ষাধিক গাছের চারা রোপনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সেক্ষেত্রে টেকেরঘাটে সরকারি জায়গা হতে গোপনে বিভিন্ন প্রজাতীর গাছ কেটে নেয়ার দৃষ্টতা আমাদেরকে চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে। এসবের বিরুদ্ধে দূত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
জামালগঞ্জের মৌলীনগরবাসীর দুঃখ দেখার যেন কেউ নেই: Sunamganj Live | সুনামগঞ্জ লাইভ

জামালগঞ্জের মৌলীনগরবাসীর দুঃখ দেখার যেন কেউ নেই: Sunamganj Live | সুনামগঞ্জ লাইভ





আবুল কালাম জাকারিয়া:
সুনামগঞ্জ লাইভ : সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালীর মৌলীনগরবাসীর দুঃখ দেখার যেন কেউ নেই!! অতিত থেকে বর্তমান পর্যন্ত বারবার জন প্রতিনিধিদের কাছে আবেদন নিবেদন করে ও ছয় মাস নাও (নৌকা) আর ছয় মাস পাও-ই  (পা) তাদের ভাগ্যে!!!

উক্ত গ্রামের সদর রাস্তায় প্রায়ই তাদের নির্মাণ করতে হয় বাঁশের সাঁকো। যাতে প্রতি বছর খরচ করতে হচ্ছে অনেক টাকা। সুনামগঞ্জের জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ এই রাস্তাটি মাটি ভরাট সহ পাকা করে অত্র এলাকার ছাত্র-ছাত্রী সহ সাধারণ জনগণের চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  জননেত্রী  শেখ হাসিনার উন্নয়নের  কাজের ধারা  অব্যাহত  রেখে বিশাল উপকার করবেন। ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন স্বেচ্ছাশ্রমে আজ আবার চলছে সাঁকো নির্মাণের কাজ।

Thursday, 27 August 2020

জামালগঞ্জে প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্টিত :Sunamganj Live| সুনামগঞ্জ লাইভ

জামালগঞ্জে প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্টিত :Sunamganj Live| সুনামগঞ্জ লাইভ


জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্টিত হয়। জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি অঞ্জনপুরকায়স্ত্র এর সভাপতিত্বতে সাধারন সম্পাদক আকবর হোসেনর সঞ্চালনায় প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক  কার্যক্রম গতিশীল করা, নতুন সদস্য সংগ্রহ সহ প্রেসক্লাবের যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা সভা ও মতবিনয় করা হয়। প্রেসক্লাবের স্থায়ী কার্যালয় স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা করেন সবাই।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের কার্য নির্বাহী কমিটির প্রথম সদস্য ওয়ালিউল্লাহ সরকার, সহ সভাপতি শেরে আলম শেরু, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জিয়াউর রহমান, নিজাম নুর, সাংগঠনিক সম্পাদক আখতারুজ্জামান তালুকদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দিল আহমদ, কোষাদক্ষ আবুল কালাম জাকারিয়া, সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এসময় নতুন সদস্য বিশ্বজিৎ রায় ও বায়জিদ বীন ওয়াহিদ উপস্থিতে তাদের পূর্ব আবেদনের আলোকে যাচাই বাচাই পূর্বক সাধারন সদস্য হিসেবে চুড়ান্ত ভাবে মনোনয়ন করা হয়।
সুনামগঞ্জ সহ দেশের ২৩৪ পৌরসভায় ভোট ডিসেম্বরে (তালিকাসহ)

সুনামগঞ্জ সহ দেশের ২৩৪ পৌরসভায় ভোট ডিসেম্বরে (তালিকাসহ)


সুনামগঞ্জ লাইভ ডেস্ক : আগামী ডিসেম্বরে পৌরসভার ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই সময়ে ভোট করার প্রস্তুতি নিয়ে এগুচ্ছে। প্রায় আড়াইশ’র মতো পৌরসভায় ভোট হতে পারে। এই লক্ষ্যে ইসি সচিবালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন। রোববার (২৩ আগস্ট) অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ওই সভায় পৌরসভা নির্বাচনের বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত না হলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং পৌরসভাগুলোর নির্বাচনের সময় হওয়ায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন আয়োজনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গত ১০ আগস্টের কমিশন সভায়ও একই ধরনের সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পৌরসভাগুলোর বর্তমান পরিষদের মেয়াদ, নির্বাচন আয়োজনে কোনও জটিলতা আছে কিনা এসব সার্বিক তথ্য চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি সচিবালয়। দুয়েকদিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কমিশন মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে পৌরসভাগুলোর মেয়াদসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে তিনশ’ পৌরসভা রয়েছে। এদের মধ্যে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর একযোগে ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া অন্যান্য পৌরসভাগুলোর ভোট মেয়াদ অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর যে পৌরসভাগুলোর ভোট হয়েছিল, তার বেশিরভাগের মেয়র ও কাউন্সিলররা পরের বছর (২০১৬ সাল) জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি মাসে শপথ নেন। আর ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই হিসেবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসব পৌরসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে।
ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর ২৩৪টি পৌরসভার তফসিল ঘোষণা করে ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ করা হয়। এবারও ওই তালিকা ধরে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে ইসি সচিবালয়। ইতোমধ্যে পৌরসভার বর্তমান পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ, প্রথম সভার তারিখ ও জনপ্রতিনিধিদের শপথগ্রহণের তারিখ সংগ্রহ করে কমিশনে পাঠাচ্ছেন বিভিন্ন জেলার নির্বাচন কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জেলা থেকে ইসি সচিবালয় এই তথ্য সংগ্রহ করেছে।
ডিসেম্বরে যে ২৩৪ পৌরসভায় ভোট
আগামী ডিসেম্বরে যেসব পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলো হলো, রাজশাহী জেলার কাঁকনহাট, আড়ানী, মুন্ডুমালা, কেশরহাট, গোদাগাড়ী, তাহেরপুর, ভবানীগঞ্জ, তানোর, কাটাখালী, চারঘাট, দুর্গাপুর, পুঠিয়া, নওহাটা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, রহনপুর, শিবগঞ্জ, নাচোল, জয়পুরহাট সদর, আক্কেলপুর, কালাই, নওগাঁ সদর, নজিপুর, নাটোর সদর, সিংড়া, বড়াইগ্রাম, নলডাঙ্গা, গোপালপুর, গুরুদাসপুর, পাবনা সদর, ভাঙ্গুড়া, ঈশ্বরদী, চাটমোহর, সাঁথিয়া, সুজানগর, ফরিদপুর, বগুড়া সদর, শেরপুর, সারিয়াকন্দি, গাবতলী, সান্তাহার, কাহালু, ধুনট, নন্দীগ্রাম, শিবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ সদর, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ, বেলকুচি ও কাজিপুর পৌরসভা।
টাঙ্গাইল সদর, ধনবাড়ী, মধুপুর, মির্জাপুর, ভুঞাপুর, সখিপুর, গোপালপুর, কালীহাতি, জামালপুর সদর, সরিষাবাড়ী, মেলান্দহ, ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, শেরপুর সদর, নকলা, নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, ত্রিশাল, ভালুকা, গফরগাঁও, নান্দাইল, ফুলপুর, ফুলবাড়িয়া, নেত্রকোনা সদর, মদন, মোহনগঞ্জ, দুর্গাপুর, কেন্দুয়া, কিশোরগঞ্জ সদর, কুলিয়ারচর, হোসেনপুর, কটিয়াদী, বাজিতপুর, ভৈরব, করিমগঞ্জ, মানিকগঞ্জ সদর, সিংগাইর, মুন্সীগঞ্জ সদর, মিরকাদিম, ঢাকার ধামরাই, সাভার, নরসিংদী সদর, মাধবদী, মনোহরদী, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ, তারাবো, রাজবাড়ী সদর, পাংশা, গোয়ালন্দ, ফরিদপুরের বোয়ালমারী, নগরকান্দা, গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গীপাড়া, মাদারীপুর সদর, কালকিনি, শিবচর, শরীয়তপুর সদর, নড়িয়া, ডামুড্যা, জাজিরা, ভেদরগঞ্জ পৌরসভা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, কুমিল্লার চান্দিনা, লাকসাম, দাউদকান্দি, বরুড়া, চৌদ্দগ্রাম, হোমনা, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ছেংগারচর, ফরিদগঞ্জ, কচুয়া, মতলব, ফেনী সদর, দাগনভুইঞা, পরশুরাম, নোয়াখালীর বসুরহাট, চৌমুহনী, হাতিয়া, চাটখিল, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ, রামগতি, রায়পুর, চট্টগ্রামের সন্দীপ, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, মীরসরাই, বারাইয়ারহাট, পটিয়া, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, সীতাকুণ্ডু, খাগড়াছড়ি সদর, মাটিরাঙা, রাঙামাটি সদর, বান্দরবান সদর ও লামা পৌরসভা।
মেহেরপুরের গাংনী, কুষ্টিয়া সদর, মিরপুর, ভেড়ামারা, কুমারখালী, খোকসা, খুলনার পাইকগাছা, দাকোপের চালনা, চুয়াডাংগা সদর, দর্শনা, জীবননগর, আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, হরিণাকুণ্ডু, শৈলকূপা, যশোর সদর, নওয়াপাড়া, মনিরামপুর, বাঘারপাড়া, চৌগাছা, কেশবপুর, নড়াইল সদর, কালিয়া, বাগেরহাট সদর, মোড়েলগঞ্জ, মাগুরা সদর, সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া পৌরসভা।
ঝালকাঠির নলছিটি, পিরোজপুর সদর, স্বরূপকাঠি, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, কুয়াকাটা, বরগুনা সদর, বেতাগী, পাথরঘাটা, বরিশালের মুলাদী, গৌরনদী, মেহেন্দীগঞ্জ, বানারীপাড়া, বাকেরগঞ্জ, উজিরপুর, ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান।
সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক, জগন্নাথপুর, দিরাই, সিলেটের জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, গোলাপগঞ্জ, মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, বড়লেখা, হবিগঞ্জ সদর, নবীগঞ্জ, চুনারুঘাট, মাধবপুর ও শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা।
কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী, উলিপুর, গাইবান্ধা সদর, গোবিন্দগঞ্জ, সুন্দরগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল, দিনাজপুর সদর, ফুলবাড়ী, বীরগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর, নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর, জলঢাকা, পঞ্চগড় সদর, রংপুরের বদরগঞ্জ, লালমনিরহাট সদর ও পাটগ্রাম পৌরসভা।
সুনামগ‌ঞ্জে অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায় করায় ভ্রাম্যমান আদাল‌তের অ‌ভিযান

সুনামগ‌ঞ্জে অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায় করায় ভ্রাম্যমান আদাল‌তের অ‌ভিযান


সরকার নির্দেশিত ভাড়ার অধিক ভাড়া আদায় এবং স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণপূর্বক যাত্রী পরিবহন না করায় সুনামগঞ্জ শহ‌রের দূরপাল্লার বাস কাউন্টা‌রে অ‌ভিযান চা‌লি‌য়ে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার রা‌তে শহ‌রের পুরাতন বাস‌স্টেশ‌নের শ্যামলী পরিবহনসহ বেশ ক‌য়েক‌টি দূরপাল্লার বাস‌কে জরিমানা করা হয়।
‌জেলা প্রশাসন সূ‌ত্রে জানা যায়, রা‌তে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত অ‌ভিযান চালায়। এসময় সরকার নির্দেশিত ভাড়ার অধিক ভাড়া আদায় এবং স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণপূর্বক যাত্রী পরিবহন না করায় ভ্রাম্যমান দূরপাল্লার ক‌য়েক‌টি বাস‌কে আদালত ৫টি মামলায় ৩০,০০০/- টাকা জরিমানা করেন । মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আল জিনাত। 
‌জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ জানান, জনস্বার্থে এধরণের মোবাইল কোর্ট চলমান থাকবে। সকলকে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ, মাস্ক পরিধান এবং সরকার নির্দেশিত নির্দেশনা প্রতিপালন করার জন্য অনুরোধ করা হ‌য়ে‌ছে।

Wednesday, 26 August 2020

আমি মুখ খুললে সে মুখ দেখাতে পারবে না: পপি

আমি মুখ খুললে সে মুখ দেখাতে পারবে না: পপি


চিত্রনায়িকা পপি বর্তমানে গ্রামের বাড়ি খুলনায় অবস্থান করছেন। আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনায়। এদিকে চলচ্চিত্রের প্রাণকেন্দ্র এফডিসি উত্তাল রয়েছে মিশা-জায়েদ বয়কট নিয়ে। নিজের শারীরিক অবস্থা ও এফডিসির উত্তাল পরিস্থিতি নিয়ে খুলনা থেকে  কথা বলেছেন পপি
এখন শরীরিক অবস্থা কেমন আল্লাহর রহমতে বেশ ভালো। গত সপ্তাহে করোনা টেস্টে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। তবুও বাসা থেকে বের হচ্ছি না। করোনা সেরে গেলেও আতঙ্ক কাটছে না।
করোনা থেকে সেরে উঠেছেন। ঢাকায় ফিরছেন কবে? ঢাকায় শিগগির ফেরা হচ্ছে না। কারণ, ঢাকার অবস্থা এখনও খুব একটা ভালো নয়। মানুষ ঘর থেকে বের হলেও করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা তো কমছে না। আমার আত্মীয়-স্বজন যারা ঢাকায় আছেন, তাদের অনেকের আক্রান্তের খবর পাচ্ছি। এ পরিস্থিতিতে কীভাবে ঢাকায় ফিরি?
এফডিসিতে যা হচ্ছে খবর রাখছেন তো? গ্রামে থাকলেও সব খবরই রাখছি। এফডিসি আমার আরেক পরিবার। পরিবারের খবর তো রাখতেই হবে। সেখানে একটা ক্রাইসিস চলছে। শিগগিরই এ ক্রাইসিস চলে যাবে। আমরা আবার সবাই একসঙ্গে কাজ করব। আমাদের শুটিংয়ে মুখর হয়ে উঠবে এফডিসি।
ক্রাইসিস বলতে আপনি কী বোঝালেন? এফডিসিতে কী হচ্ছে এটা তো গণমাধ্যমের বরাতে দেশের সবাই জানতে পারছেন। এখানে ক্রাইসিস কী নিয়ে এটাও সবার জানা। তবে আমি মনে করি, এখানে সবচেয়ে বড় ক্রাইসিস হচ্ছে সম্পর্কের। আগে কত সুন্দর দিন কাটাচ্ছিলাম আমরা। মান্না ভাই, ওমর সানী ভাই, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খান, মৌসুমী, শাবনূর, পূর্ণিমা, সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে লিড দিয়েছেন।
তখন আমাদের মধ্যে ভালো কাজের প্রতিযোগিতা থাকলেও কারও সঙ্গে কোনো রেষারেষি ছিল না। কেউ কারও পেছনে লাগেনি। কারও আড়ালে কারও বদনাম হতো না। সেই গোছানো সম্পর্কগুলো নষ্ট করে দিলো জায়েদ। সে শিল্পী সমিতির চেয়ারে বসার পরই শুরু হলো একে অপরে দ্বন্দ্ব। অযোগ্য লোককে চেয়ারে বসালে যা হয়। এর-ওর মধ্যে বিরুদ্ধে লাগিয়ে সবাইকে ব্যস্ত বানিয়ে নিজে চেয়ারের জায়গাটা শক্ত করে নিতে চাচ্ছিলো সে। কিন্তু অযোগ্য লোক বেশিদিন থাকতে পারে না। তার পতন হবেই।
একে অপরে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার কারণ শুধুই কি জায়েদ, আপনাদের কোনো ভুল নেই? এর আগে এক ইন্টারভিউতে কেন আমরা জায়েদকে চেয়ারে বসিয়েছি সেটা বলেছি। সেটা অনেকটা শাকিব খানের ওপর অভিমান করেই। এটাই আমাদের ভুল ছিল। এই ভুলের খেসরাত যে এভাবে দিতে হবে বুঝিনি। সমিতির নেতার চেয়ারে বসে সে যে ক্রাইমগুলো করেছে তা বর্ণনাতীত। সে ক্রাইমের অনেক কিছুই আপনারা জানেন না। সেগুলো বলার মতোও না। তাই বলি, আমি যদি জায়েদের বিষয়ে মুখ খুলি তাহলে সে মুখ দেখাতে পারবে না। শুধু বলবো, যার একটাও হিট ছবি নেই, অভিনেতা হিসেব দর্শকরা যাকে চিনেই না, সেই কিনা রিয়াজ, ফেরদৌস ভাইকে নিয়ে কটু কথা বলে। তাদের নিয়ে সমালোচনা করে। ওমর সানী ভাইকে সে মানসিক ডাক্তার দেখাতে বলে।
এখন ভুল শোধরাবেন কীভাবে? জায়েদ খানের পদত্যাগ নিয়ে সবাই সোচ্চার হয়েছেন। ভুল শুধরানোর এটাই একমাত্র উপায়। চলচ্চিত্রবিষয়ক ১৯ সংগঠন একত্র হয়ে জায়েদকে বয়কট করেছে। জায়েদের পদত্যাগটা আগে দরকার। শিল্পী সমিতির ক্ষমতা থেকে ওকে অপসারণ না করলে সে এমন কর্মকাণ্ড করেই যাবে। এফডিসি আরও নোংরা হবে। সাধারণ মানুষের কাছে তারকারা হাসির পাত্র হবে। তাই আমাদের সবার করণীয় এখন জায়েদের আগে পদত্যাগ করানো। এরপর একসঙ্গে চলচ্চিত্রের উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়া….সূত্র-সমকাল
জামালগঞ্জের পল্লীতে শ্মশানঘাটের বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ

জামালগঞ্জের পল্লীতে শ্মশানঘাটের বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ


সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলায় মাতারগাঁও গ্রামের শ্মশানঘাট উন্নয়নের নামে সরকারি বরাদ্দ উত্তোলন করে আত্মসাতের পাঁয়তারা করছে বলে ওই গ্রামের লোকজন গত ২৫ আগস্ট ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, সরকারেরর গ্রাম উন্নয়ন অবকাঠামো (কাবিখা-খাদ্য শস্য) উন্নয়ন খাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে উল্লেখিত গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহার্য একমাত্র শ্মশানঘাট উন্নয়নের জন্য একটি পিআইসির অনুকূলে ৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এতে কাজ সম্পন্ন করার নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও কথিত গোপন পিআইসি কমিটি কোন কাজ করেনি।
বিষয়টি গ্রামবাসীর মধ্যে জানাজানি হলে তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন গ্রামের কবিন্দ্র তালুকদার সভাপতি ও প্রসিত তালুকদারকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পিআইসি কমিটি দেখানো হয়েছে। পিআইসির ওপর ৩ সদস্য হলেন পিযুষ তালুকদার, কিরন তালুকদার ও বিজিত তালুকদার। যা গ্রামের কেউ অবগত নয়। গ্রামের কাউকে না জানিয়ে গোপনে প্রকল্প কমিটি করে বরাদ্দ উত্তোলন ও মেয়াদান্তে কোন কাজ না করেই উত্তোলনকৃত বরাদ্দের সমুদয় টাকা আত্মসাতের পাঁয়তারা করায় এতে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গ্রামবাসী সরকারের বরাদ্দের ব্যাপারে কথিত সভাপতি ও সদস্য সচিবের কাছে জানতে চাইলে তাতে তারা কোন তথ্য না দিয়ে বলেন, আমাদের চাল আমরা উত্তোলন করেছি, তোমাদের জানাতে হবে কেন? সরকার থেকে মাল এনেছি সরকারকে জানাব। এতে করে সরকারি বরাদ্দের লুকোচুরি গ্রামের উত্তেজনা বিরাজ করছে। শ্মশানঘাট বরাদ্দের লুকোচুরি নিয়ে বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অভিযোগ দায়ের করেছেন গ্রামবাসীর পক্ষে বিপুল তালুকদার, পিন্টু তালুকদার, দেবন তালুকদার।
কথিত কমিটির সদস্য পিযুষ তালুকদার বলেন, কমিটি করার সময় একটা দস্তখত নিছিলো। এরপর আর আমি কোন দস্তখত দেই নাই। কিভাবে মাল তুলছে, কোথায় বিক্রি করছে, আমি কিছুই জানি না। কাজ হয়েছি কি না তাও জানি না। কবিন্দ্র কি করছে সেই জানে।
সভাপতি কবিন্দ্র তালুকদার বলেন, বন্যার কারণে মাল নেই নাই। এখন মিস্ত্রি বাও করছি। মিস্ত্রি বলছে দিন ধরলে কাজ করব। মালামাল পুথার মধ্যে রেডি আছে। প্রতিহিংসার আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। কাজ শেষ করে অফিসে মাস্টার রুল দিব।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব বলেন, অভিযোগটি এখনও আমার হাতে এসে পৌঁছেনি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Monday, 24 August 2020

তাহিরপুরে মদ খাইয়ে শরীফ কে দিয়ে টিকটক ভিডিও : মামলা দায়ের, আটক ৮

তাহিরপুরে মদ খাইয়ে শরীফ কে দিয়ে টিকটক ভিডিও : মামলা দায়ের, আটক ৮


বিশেষ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাণ্যিজিক কেন্দ্র বাদাঘাটে মদ খাইয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোর (দেখতে শিশুদের মতো) শরিফকে নিয়ে টিকটকসহ বিভিন্ন ধরণের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার ঘটনায় ৮জনকে আটক করা হয়েছে। এঘটনায় রোববার রাতে শরিফের বড়ভাই শামীম বাদী হয়ে আটক ৮জনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও আইসিটি আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
আটককৃতরা হলো- উপজেলার ৫নং বাদাঘাট উত্তর ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামের শেখ আ. রহমানের ছেলে আলম শেখ (২৩), আনোয়ার হাসেন রুমানের ছেলে তারেক (২২), নাজিম উদ্দিনের ছেলে দীপু (২২), বাচ্চু মিয়ার ছেলে রনি (১৭), বাদাঘাট গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ্ (১৬), ৪নং বড়দল উত্তর ইউনিয়নের মৃত আ. গফুরের ছেলে মোজাম্মেল হক (২২), হাবিবুর রহমান সংগ্রামের ছেলে সাগর (২১), দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের পাগলপুর গ্রামের হরমুজ আলীর ছেলে মনির মিয়া (১৯)।
রোববার রাতে আটককৃতদের এবং ভিকটিম শরিফকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সঙ্গে আটককৃতদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় ভিকটিম শরিফের বড়ভাই শামীমের দায়ের করা মামলায় আটককৃতদের গ্রেফতার দেখানো হয়।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, জুলাইয়ের শেষের দিকে উপজেলার বাণ্যিজিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজারের সততা স্টোরের মোজাম্মেল হকের ফেসবুক আইডি থেকে প্রশাসন ও সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষন করে কিশোর শরিফের ছবি ও একটি ভিডিও আপলোড করা হয়। ওই ভিডিওতে শরিফ জানায় বাদাঘাটের কয়েক যুবক তাকে জোর পূর্বক মদ খাইয়ে বিভিন্ন রকমের টিকটক ভিডিও তৈরি করে তা ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে।
বিষয়টি সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান পিপিএমের নজরে আসলে উনার দিকনির্দেশনায় তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান ও বাদাঘাট পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই মাহমুদুল হাসান বিষয়টি গোপনে তদন্ত শুরু করেন। শারিরিক প্রতিবন্ধী কিশোর শরিফকে দিয়ে দিয়ে এমন আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করায় জেলাসদরসহ গোটা উপজেলায় বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।
রোববার দুপুরে শরিফের দেওয়া তথ‌্য অনুযায়ী ভিডিও ভাইরালের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে ৮ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
শরিফ মিয়া (১৩) উপজেলার ৫নং বাদাঘাট ইউনিয়নের ঢালারপাড় (লাউড়েরগড়) গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। ৯ ভাই বোনের মধ্যে শরিফ ৭ম।
শরিফের মা জানিয়েছেন, জন্মের সময়ই শরিফ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটা ছোট ছিল। স্থানীয় ডাক্তার-কবিরাজ দেখিয়ে অনেক টাকা পয়সা খরচ করেও শরিফকে স্বাভাবিক করা যায়নি। ছোটবেলা থেকেই সে বাড়ির বাইরে থাকে। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাড়ি নেয়া যায় না।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, ভিকটিমের বড় ভাই শামীম বাদী হয়ে আটককৃত ৮জনসহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃতদের আজ সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে। এছাড়া পলাতক অন‌্য দুই আসামীকে গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।